ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ধর্ষণের অভিযোগে পাঞ্জাবের বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র আন্দোলন, যুদ্ধবিমান-ট্যাংকের পিঠে উঠে গেলেন শিক্ষার্থীরা Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটর ভিডিওতে দেখান বিপুল টাকা-পয়সা, একরাতেই চুরি হলো ১২০ ভরি গয়না Logo একজন শিক্ষকের চোখে বাংলাদেশের সেরা ১০ পর্যটন স্পট Logo পানিতে ডুবে গেছে ব্যাংকক, দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা Logo আগামী দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি Logo যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের জোড়া জায়ান্ট পান্ডা, থাকবে ১০ বছর Logo বাংলাদেশ থেকে অস্কারে যাচ্ছে সুমনের ‘রইদ’ Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক বন্দুক হামলায় নিহত ২৭, আহত ২৬ Logo ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্য সংঘর্ষ Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭

আগামী দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি

আসন্ন অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে তিনি জাপান ও সৌদি আরবে দ্বিপক্ষীয় সফর করবেন এবং তুরস্কে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন। টোকিও, রিয়াদ ও আঙ্কারার কূটনৈতিক সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যে এসব সফর সফল করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে তিন থেকে চার দিনের সফরে জাপানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এই সফরে দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হবে। বিশেষ করে বিগত সফরগুলোর ধারাবাহিকতায় বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি খাত ও জনশক্তি রপ্তানির অগ্রগতি পর্যালোচনা এই সফরের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হতে পারে।

জাপান সফর শেষ করে নভেম্বরের প্রথমার্ধে তুরস্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশটির আনাতোলিয়ায় আয়োজিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য এই আন্তর্জাতিক ফোরাম অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ এবং পূর্বে গৃহীত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারে ঢাকা।

এরপর নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে রিয়াদ সফর করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। ঐতিহ্যগত শ্রমবাজারের গণ্ডি পেরিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তির মতো খাতে বিস্তৃত হচ্ছে। আসন্ন এই উচ্চপর্যায়ের সফরে বিনিয়োগ চুক্তি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

ধর্ষণের অভিযোগে পাঞ্জাবের বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র আন্দোলন, যুদ্ধবিমান-ট্যাংকের পিঠে উঠে গেলেন শিক্ষার্থীরা

আগামী দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি

প্রকাশিত ০৩:১৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে তিনি জাপান ও সৌদি আরবে দ্বিপক্ষীয় সফর করবেন এবং তুরস্কে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন। টোকিও, রিয়াদ ও আঙ্কারার কূটনৈতিক সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যে এসব সফর সফল করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে তিন থেকে চার দিনের সফরে জাপানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এই সফরে দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হবে। বিশেষ করে বিগত সফরগুলোর ধারাবাহিকতায় বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি খাত ও জনশক্তি রপ্তানির অগ্রগতি পর্যালোচনা এই সফরের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হতে পারে।

জাপান সফর শেষ করে নভেম্বরের প্রথমার্ধে তুরস্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশটির আনাতোলিয়ায় আয়োজিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য এই আন্তর্জাতিক ফোরাম অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ এবং পূর্বে গৃহীত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারে ঢাকা।

এরপর নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে রিয়াদ সফর করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। ঐতিহ্যগত শ্রমবাজারের গণ্ডি পেরিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তির মতো খাতে বিস্তৃত হচ্ছে। আসন্ন এই উচ্চপর্যায়ের সফরে বিনিয়োগ চুক্তি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।