ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মানসিক স্বাস্থ্যকে মন্ত্রণালয়ের আওতায় রেখে অগ্রগতি সম্ভব নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন  Logo ড. ইউনূসকে হয়রানি ও হেনস্তায় সাবেক ১২ উপদেষ্টার ক্ষোভ-নিন্দা Logo শরতের আবহে জাবিতে নবীনবরণ, নাট্যোৎসবে ‘বিধিবাম’ মঞ্চায়িত Logo দশ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় Logo ধর্মীয় ‘স্পর্শকাতর’ স্ট্যাটাস-মিম, জাবি শিক্ষার্থীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা প্রশাসনের Logo ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির Logo প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো Logo ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী Logo অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সোবহানা-নিগারের লাফ

এবার ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ সার্বিয়ার রাজনীতিতে এক বড় ধরনের নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা তীব্র ছাত্র আন্দোলনের মুখে দেশটির প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন আলেকজান্ডার ভুচিচ। সার্বিয়ার তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক বিক্ষোভ ও আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই জনরোষের কাছে নতি স্বীকার করে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন হুট করে শুরু হয়নি, বরং এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অসন্তোষ। সার্বিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দেশটির শাসনব্যবস্থা, দুর্নীতির অভিযোগ এবং রাজনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছিলেন। বিগত এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলন ক্রমশ জোরালো রূপ নিতে থাকে এবং সারা দেশে ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করে। আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ এবং শাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের গণতান্ত্রিক সংস্কার আনা।

সার্বিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলেকজান্ডার ভুচিচের পদত্যাগের বিষয়টি এখন অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের এই সফল আন্দোলন দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘমে这段 সময় ধরে চলা আন্দোলনের ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করায় এখন সার্বিয়ার পরবর্তী রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।

প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের পর সার্বিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধান কীভাবে আসবে এবং নতুন নেতৃত্ব কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি। সার্বিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও। দেশটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

জনপ্রিয়

মানসিক স্বাস্থ্যকে মন্ত্রণালয়ের আওতায় রেখে অগ্রগতি সম্ভব নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

এবার ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত ০৫:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ সার্বিয়ার রাজনীতিতে এক বড় ধরনের নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা তীব্র ছাত্র আন্দোলনের মুখে দেশটির প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন আলেকজান্ডার ভুচিচ। সার্বিয়ার তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক বিক্ষোভ ও আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই জনরোষের কাছে নতি স্বীকার করে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন হুট করে শুরু হয়নি, বরং এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অসন্তোষ। সার্বিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দেশটির শাসনব্যবস্থা, দুর্নীতির অভিযোগ এবং রাজনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছিলেন। বিগত এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলন ক্রমশ জোরালো রূপ নিতে থাকে এবং সারা দেশে ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করে। আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ এবং শাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের গণতান্ত্রিক সংস্কার আনা।

সার্বিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলেকজান্ডার ভুচিচের পদত্যাগের বিষয়টি এখন অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের এই সফল আন্দোলন দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘমে这段 সময় ধরে চলা আন্দোলনের ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করায় এখন সার্বিয়ার পরবর্তী রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।

প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের পর সার্বিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধান কীভাবে আসবে এবং নতুন নেতৃত্ব কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি। সার্বিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও। দেশটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।