ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হাসিমুখে ফুলেল শুভেচ্ছা নিলেন শিক্ষক, কিছুক্ষণ পর ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে Logo ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়েতে ফাটল, তড়িঘড়ি গর্ত ভরাট, ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল Logo ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ Logo প্রাচীন দাঁত দেখে গবেষকেরা জানালেন, মানুষ সুপারি খেত ২৫ হাজার বছর আগে থেকেই Logo ভিয়েতনামে ২৭০০ বিড়াল চুরির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১২ Logo দুদকের মামলায় ছেলেসহ গ্রেপ্তার দেখানো হলো শাজাহান খানকে Logo ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেইল, তদন্তে ডিবি Logo আলোয় মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের কৌশল উদ্ভাবনে চিকিৎসায় নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী Logo কিশোরগঞ্জে ৯ মাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২৫ হাজার, ডেঙ্গুতে ১,৮০০; মৃত্যু ৩ Logo স্পেনে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, বামপন্থী সানচেজ যুগের অবসান ঘটছে কি

এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে করার জন্য ‘এআই টপ অ্যাটম’ নামে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম এনেছে গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, চারটি এআই টপ অ্যাটম একসঙ্গে যুক্ত করে বড় এআই মডেল ও বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনের মতো মেমোরি-নির্ভর কাজ করা সম্ভব।

সহজভাবে বললে, এআই টপ অ্যাটম একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল চালানো, বড় ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য তৈরি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়।

গিগাবাইটের তথ্যমতে, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। ফলে একক কম্পিউটারের তুলনায় বড় ও জটিল কাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।

গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে এ প্রযুক্তির সক্ষমতা দেখাতে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরে ‘গ্রোম্যাক্স’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়।

উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণ দেখানো হয়। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটারে সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা যায়।

গিগাবাইট জানিয়েছে, সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পর মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। সেখানে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

এর ফলে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কাজে বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণও বজায় থাকে।

গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে-৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তারঁ মতে, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের জন্য নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।

জনপ্রিয়

হাসিমুখে ফুলেল শুভেচ্ছা নিলেন শিক্ষক, কিছুক্ষণ পর ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে

এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

প্রকাশিত ০৫:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে করার জন্য ‘এআই টপ অ্যাটম’ নামে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম এনেছে গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, চারটি এআই টপ অ্যাটম একসঙ্গে যুক্ত করে বড় এআই মডেল ও বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনের মতো মেমোরি-নির্ভর কাজ করা সম্ভব।

সহজভাবে বললে, এআই টপ অ্যাটম একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল চালানো, বড় ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য তৈরি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়।

গিগাবাইটের তথ্যমতে, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। ফলে একক কম্পিউটারের তুলনায় বড় ও জটিল কাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।

গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে এ প্রযুক্তির সক্ষমতা দেখাতে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরে ‘গ্রোম্যাক্স’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়।

উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণ দেখানো হয়। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটারে সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা যায়।

গিগাবাইট জানিয়েছে, সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পর মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। সেখানে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

এর ফলে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কাজে বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণও বজায় থাকে।

গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে-৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তারঁ মতে, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের জন্য নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।