ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কাগজমুক্ত হচ্ছে পুঁজিবাজার সব কার্যক্রম হবে অনলাইনে Logo ভারতীয় নাগরিক রবিউল এবার অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে Logo মা তো নেই, এখন আপনাদেরই উচিত আমাকে দেখে রাখা, ফুলগাজীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo রোনালদোকে ছাড়াই আরও একটা দারুণ জয় পর্তুগালের Logo প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৭০৭টি স্কুলে ৬০৫ শিক্ষকের পদ শূন্য, পিছিয়ে শিক্ষার্থীরা Logo ইসলামী আন্দোলন ও সাহিত্যে মাওলানা আবদুর রহীমের অবদান স্মরণীয় Logo নারীর প্রতি সহানুভূতি: ইসলাম কীভাবে মূল্যায়ন করে Logo বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে এআইইউবি Logo যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক Logo ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় তিন দিনে তিন কিশোরীর মৃত্যু

ভারতীয় নাগরিক রবিউল এবার অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে

অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট আইনে দায়ের করা একটি মামলায় ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই অভিযুক্ত ব্যক্তি মূলত ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে দেশের নিরাপত্তার পরিপন্থী নানা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, রবিউল সরাসরি দেশের বাইরে সক্রিয় একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। তিনি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও কৌশলগত স্থাপনার গোপনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করতেন এবং তা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত উপায়ে বিদেশি সংস্থার কাছে পাচার করতেন। তার এই অবৈধ কার্যক্রমে দেশীয় কোনো চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দারা কাজ করছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন যে, রবিউলের এই ধরনের গুপ্তচরবৃত্তির পেছনে বড় কোনো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা সুরক্ষার স্বার্থে তার মূল সহযোগীদের মুখোশ উন্মোচন করা অত্যন্ত জরুরি। তাই তাকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে দেশের ভেতরের ও বাইরের কুশীলবদের নাম বেরিয়ে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

আদালতের এই আদেশের পর রবিউল ইসলামকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে মুখোমুখি করে তথ্য পাচারের নির্দিষ্ট মাধ্যম ও উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন। রিমান্ড শেষ হওয়ার পর তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হবে এবং তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

কাগজমুক্ত হচ্ছে পুঁজিবাজার সব কার্যক্রম হবে অনলাইনে

ভারতীয় নাগরিক রবিউল এবার অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত ০৩:৪৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট আইনে দায়ের করা একটি মামলায় ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই অভিযুক্ত ব্যক্তি মূলত ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে দেশের নিরাপত্তার পরিপন্থী নানা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, রবিউল সরাসরি দেশের বাইরে সক্রিয় একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। তিনি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও কৌশলগত স্থাপনার গোপনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করতেন এবং তা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত উপায়ে বিদেশি সংস্থার কাছে পাচার করতেন। তার এই অবৈধ কার্যক্রমে দেশীয় কোনো চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দারা কাজ করছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন যে, রবিউলের এই ধরনের গুপ্তচরবৃত্তির পেছনে বড় কোনো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা সুরক্ষার স্বার্থে তার মূল সহযোগীদের মুখোশ উন্মোচন করা অত্যন্ত জরুরি। তাই তাকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে দেশের ভেতরের ও বাইরের কুশীলবদের নাম বেরিয়ে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

আদালতের এই আদেশের পর রবিউল ইসলামকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে মুখোমুখি করে তথ্য পাচারের নির্দিষ্ট মাধ্যম ও উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন। রিমান্ড শেষ হওয়ার পর তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হবে এবং তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।