ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মাহফিলের নামে সরকারের বিরোধিতা করলে মেনে নেওয়া হবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেত অবরোধ Logo সার ডিলার নিয়োগের তালিকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা, পটিয়ায় তোলপাড় Logo এবার কি ঢাকায় বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে Logo মক্কা চুক্তির বিষয়টি আমরা ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করছি Logo ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ Logo মন্ত্রীর আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার, রোববার ক্লাসে ফিরছেন সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা Logo বিদেশি শক্তির ইন্ধনে দেশকে অস্থিতিশীল করছে বিরোধীরা: বিজেপি Logo সাফারি পার্কের চুরি হওয়া লেমুর ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তদন্ত চলছে: পরিবেশমন্ত্রী

এবার কি ঢাকায় বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর গণপরিবহন খাতের দীর্ঘদিনের নৈরাজ্য দূর করতে এবং যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখন থেকে ঢাকার প্রতিটি রুটে বিশৃঙ্খলভাবে আলাদা বাস না চালিয়ে একটিমাত্র নির্ধারিত কোম্পানির অধীনে সব বাস পরিচালনা করা হবে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা প্রতিযোগিতা ও লক্কড়ঝক্কড় যানবাহনের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই ব্যবস্থাপনার সফল বাস্তবায়ন ঘটলে যানজট কিছুটা কমবে এবং যাত্রীদের ট্রাফিক ভোগান্তিও লাঘব হবে।

নতুন এই নিয়মের আওতায় যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে নির্দিষ্ট কিছু স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখান থেকেই কেবল বাস থামবে। এ ছাড়া প্রতিটি বাসে যাতায়াতের জন্য থাকবে কাউন্টারভিত্তিক টিকিট ব্যবস্থা, যা যাত্রীদের টিকেট সংগ্রহকে অনেক বেশি সহজ ও স্বচ্ছ করে তুলবে। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ করতে ই-টিকেটিং পদ্ধতি কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। একই সঙ্গে সম্পূর্ণ সেবাটি ডিজিটাল নজরদারির আওতায় আনতে প্রতিটি যানে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম যুক্ত করা হবে।

আধুনিক প্রযুক্তির এই জিপিএস ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা সহজেই বুঝতে পারবে বাসগুলো নির্দিষ্ট গতিতে চলছে কি না বা কোথাও দীর্ঘ সময় জ্যামে আটকে আছে কি না। এর ফলে চালকদের অনিয়ম ও রুট পরিবর্তনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে ধারণা করছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘদিন ধরে নগরবাসীর পক্ষ থেকে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনার দাবি জানিয়ে আসা হচ্ছিল, আর এই উদ্যোগ সেই দাবিরই একটি বাস্তবসম্মত রূপায়ণ। যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে এই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর প্রস্তুতি চলছে।

পরিবহন খাতের এই রূপান্তর সফল করতে সংশ্লিষ্ট বাস মালিক সমিতি, চালক ও সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে। নতুন নিয়মের সুফল পেতে সাধারণ যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে এবং নির্ধারিত কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে বাসে চড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সব পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ঢাকার রাজপথে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে নগরবাসী একটি আধুনিক, শৃঙ্খলিত এবং উন্নত গণপরিবহন ব্যবস্থার সুফল ভোগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মাহফিলের নামে সরকারের বিরোধিতা করলে মেনে নেওয়া হবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

এবার কি ঢাকায় বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে

প্রকাশিত ০১:১৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর গণপরিবহন খাতের দীর্ঘদিনের নৈরাজ্য দূর করতে এবং যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখন থেকে ঢাকার প্রতিটি রুটে বিশৃঙ্খলভাবে আলাদা বাস না চালিয়ে একটিমাত্র নির্ধারিত কোম্পানির অধীনে সব বাস পরিচালনা করা হবে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা প্রতিযোগিতা ও লক্কড়ঝক্কড় যানবাহনের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই ব্যবস্থাপনার সফল বাস্তবায়ন ঘটলে যানজট কিছুটা কমবে এবং যাত্রীদের ট্রাফিক ভোগান্তিও লাঘব হবে।

নতুন এই নিয়মের আওতায় যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে নির্দিষ্ট কিছু স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখান থেকেই কেবল বাস থামবে। এ ছাড়া প্রতিটি বাসে যাতায়াতের জন্য থাকবে কাউন্টারভিত্তিক টিকিট ব্যবস্থা, যা যাত্রীদের টিকেট সংগ্রহকে অনেক বেশি সহজ ও স্বচ্ছ করে তুলবে। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ করতে ই-টিকেটিং পদ্ধতি কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। একই সঙ্গে সম্পূর্ণ সেবাটি ডিজিটাল নজরদারির আওতায় আনতে প্রতিটি যানে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম যুক্ত করা হবে।

আধুনিক প্রযুক্তির এই জিপিএস ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা সহজেই বুঝতে পারবে বাসগুলো নির্দিষ্ট গতিতে চলছে কি না বা কোথাও দীর্ঘ সময় জ্যামে আটকে আছে কি না। এর ফলে চালকদের অনিয়ম ও রুট পরিবর্তনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে ধারণা করছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘদিন ধরে নগরবাসীর পক্ষ থেকে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনার দাবি জানিয়ে আসা হচ্ছিল, আর এই উদ্যোগ সেই দাবিরই একটি বাস্তবসম্মত রূপায়ণ। যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে এই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর প্রস্তুতি চলছে।

পরিবহন খাতের এই রূপান্তর সফল করতে সংশ্লিষ্ট বাস মালিক সমিতি, চালক ও সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে। নতুন নিয়মের সুফল পেতে সাধারণ যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে এবং নির্ধারিত কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে বাসে চড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সব পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ঢাকার রাজপথে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে নগরবাসী একটি আধুনিক, শৃঙ্খলিত এবং উন্নত গণপরিবহন ব্যবস্থার সুফল ভোগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।