ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে মাইগ্রেট করা সহজ

প্রবাস ডেস্ক: ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে ভিসার আবেদন করলে বাংলাদেশের তুলনায় ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার মান বেশ ভালো হওয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি উপযোগী গন্তব্য। আর্থিক সচ্ছলতা থাকলে এবং ইউরোপ বা অন্যান্য উন্নত দেশের ভিসা না পেলে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনার জন্য আসতে পারেন।

ফিলিপাইনে বাংলাদেশিদের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বৃত্তির সুযোগ রয়েছে। এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে এডিবি-জাপানের অর্থায়নে এবং ইনস্টিটিউশনাল বৃত্তির আওতায় মাস্টার্স প্রোগ্রামে শতভাগ বা আংশিক বৃত্তি দেওয়া হয়। এ ছাড়া ইউনিভার্সিটি অব দ্য ফিলিপাইনসও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে থাকে।

দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষাগত কোনো বড় বাধা নেই কারণ এখানকার মানুষ সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে পারে। ঐতিহাসিক কারণে স্কুল থেকেই ইংরেজি পড়ানো হয় এবং নন-নেটিভ ইংলিশ স্পিকারদের তালিকায় দেশটির অবস্থান বেশ ওপরে। এর ফলে প্রবাসীদের জন্য সেখানে জীবনযাত্রা ও চলাফেরা করা তুলনামূলক সহজ হয়।

দেশটিতে পোশাক শিল্প, খাদ্য ব্যবসা এবং কল সেন্টার খাতে বাংলাদেশিদের জন্য ক্যারিয়ার গড়ার ভালো সুযোগ রয়েছে। তবে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকলে সেখানে ব্যবসায় নামা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। মূলত রাজধানী ম্যানিলাতেই অধিকাংশ বাংলাদেশি বসবাস করেন এবং উচ্চ দক্ষ পেশাজীবী ছাড়াও অনেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

জনপ্রিয়

রোগী হিসেবে প্রবেশ করলেও, ফেরা কঠিন

ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে মাইগ্রেট করা সহজ

প্রকাশিত ০৯:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাস ডেস্ক: ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে ভিসার আবেদন করলে বাংলাদেশের তুলনায় ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার মান বেশ ভালো হওয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি উপযোগী গন্তব্য। আর্থিক সচ্ছলতা থাকলে এবং ইউরোপ বা অন্যান্য উন্নত দেশের ভিসা না পেলে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনার জন্য আসতে পারেন।

ফিলিপাইনে বাংলাদেশিদের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বৃত্তির সুযোগ রয়েছে। এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে এডিবি-জাপানের অর্থায়নে এবং ইনস্টিটিউশনাল বৃত্তির আওতায় মাস্টার্স প্রোগ্রামে শতভাগ বা আংশিক বৃত্তি দেওয়া হয়। এ ছাড়া ইউনিভার্সিটি অব দ্য ফিলিপাইনসও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে থাকে।

দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষাগত কোনো বড় বাধা নেই কারণ এখানকার মানুষ সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে পারে। ঐতিহাসিক কারণে স্কুল থেকেই ইংরেজি পড়ানো হয় এবং নন-নেটিভ ইংলিশ স্পিকারদের তালিকায় দেশটির অবস্থান বেশ ওপরে। এর ফলে প্রবাসীদের জন্য সেখানে জীবনযাত্রা ও চলাফেরা করা তুলনামূলক সহজ হয়।

দেশটিতে পোশাক শিল্প, খাদ্য ব্যবসা এবং কল সেন্টার খাতে বাংলাদেশিদের জন্য ক্যারিয়ার গড়ার ভালো সুযোগ রয়েছে। তবে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকলে সেখানে ব্যবসায় নামা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। মূলত রাজধানী ম্যানিলাতেই অধিকাংশ বাংলাদেশি বসবাস করেন এবং উচ্চ দক্ষ পেশাজীবী ছাড়াও অনেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।