রাজনীতি ডেস্ক: সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন তার পদত্যাগ ও বিভিন্ন সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি দাবি করেন, দল কখনোই চায়নি তার মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য পদত্যাগ করুক। তার বিরুদ্ধে কিছু পত্রিকা ও সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে তাকে এবং প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চেয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে তার পদত্যাগের পেছনের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতি সামনে চলে আসে।
পদত্যাগের আগের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে ইশরাক জানান, ওইদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার দীর্ঘ একান্ত বৈঠক হয়েছিল। ক্যাবিনেট মিটিংয়ের বিরতিতে তারা আবারও আলোচনা চালিয়ে যান এবং মিটিং শেষে পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন। এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টিও ব্যাখ্যা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাদকাসক্তদের তৎপরতা ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নিজের জীবন রক্ষার জন্য তাকে সতর্ক থাকতে হয়েছে। বিরোধী দলের অনেক নেতাও তাকে ফোন করে এই পরিস্থিতিতে সংহতি প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি।
আসন্ন মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ২০২০ সাল থেকেই তার মূল নেতাকর্মীরা তাকে ওই পদে দেখতে চেয়েছেন। এখনো তার অনুসারী ও কর্মীরা চান তিনি যেন মেয়র নির্বাচনে অংশ নেন। নেতাকর্মীদের এই দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং তাদের চাওয়ার বিষয়টি তিনি সংবাদমাধ্যমে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।
রাজনীতিতে নানা চ্যালেঞ্জ ও সমীকরণের মধ্য দিয়ে চলা ইশরাক হোসেনের এই সাক্ষাৎকারটি বেশ গুরুত্ব বহন করে। তার পদত্যাগ সংক্রান্ত ব্যাখ্যা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে দলের ভেতরে ও বাইরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ধরনের প্রকাশ্য বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নেতাদের ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে ধারণা দেয়।



































