ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

মা-বাবার অধিকার, মর্যাদা ও আনুগত্যের সীমারেখা

ধর্ম ডেস্ক: ইসলাম ধর্মে পিতা-মাতার অধিকার ও মর্যাদা অত্যন্ত সুউচ্চ ও মর্যাদাপূর্ণ স্থানে রয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাদের সঙ্গে সবসময় সদ্ব্যবহার করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন। বিশেষ করে বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করা বা ধমক দিতে নিষেধ করা হয়েছে। বরং তাদের সঙ্গে সবসময় অত্যন্ত সম্মানজনক ভাষায় কথা বলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া ইসলামি শরিয়তে অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ এবং কবিরা গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহগুলো সম্পর্কে সতর্ক করার সময় আল্লাহর সঙ্গে শিরক করার পরেই মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন। তাই মা-বাবাকে অবহেলা করা কিংবা কষ্ট দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে ইসলামে মা-বাবার আনুগত্যের একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা ও বিধান স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যদি পিতা-মাতা আল্লাহর অবাধ্য হতে বা শরিয়তবিরোধী কোনো কাজের নির্দেশ দেন, তবে সেই ক্ষেত্রে তাদের আনুগত্য করা যাবে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন যে আল্লাহর অবাধ্যতা করে পৃথিবীর কোনো সৃষ্টির আনুগত্য করা জায়েজ নয়।

বিয়ে কিংবা পেশা নির্বাচনের মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মা-বাবার পছন্দ হুবহু মেনে চলা শরিয়তে বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে শরিয়তের সীমারেখার মধ্যে থেকে তাদের যৌক্তিক পরামর্শ ও অভিজ্ঞতাকে সবসময় যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। মতের মিল না হলেও তাদের সঙ্গে কোনো ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করা যাবে না এবং যৌক্তিক কারণে কথা না মানলে সন্তান অপরাধী হবে না।

জনপ্রিয়

ইউটিউব ফিল্মে জুটি বাঁধলেন খায়রুল বাসার ও নীহা

মা-বাবার অধিকার, মর্যাদা ও আনুগত্যের সীমারেখা

প্রকাশিত ০৭:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: ইসলাম ধর্মে পিতা-মাতার অধিকার ও মর্যাদা অত্যন্ত সুউচ্চ ও মর্যাদাপূর্ণ স্থানে রয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাদের সঙ্গে সবসময় সদ্ব্যবহার করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন। বিশেষ করে বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করা বা ধমক দিতে নিষেধ করা হয়েছে। বরং তাদের সঙ্গে সবসময় অত্যন্ত সম্মানজনক ভাষায় কথা বলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া ইসলামি শরিয়তে অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ এবং কবিরা গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহগুলো সম্পর্কে সতর্ক করার সময় আল্লাহর সঙ্গে শিরক করার পরেই মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন। তাই মা-বাবাকে অবহেলা করা কিংবা কষ্ট দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে ইসলামে মা-বাবার আনুগত্যের একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা ও বিধান স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যদি পিতা-মাতা আল্লাহর অবাধ্য হতে বা শরিয়তবিরোধী কোনো কাজের নির্দেশ দেন, তবে সেই ক্ষেত্রে তাদের আনুগত্য করা যাবে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন যে আল্লাহর অবাধ্যতা করে পৃথিবীর কোনো সৃষ্টির আনুগত্য করা জায়েজ নয়।

বিয়ে কিংবা পেশা নির্বাচনের মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মা-বাবার পছন্দ হুবহু মেনে চলা শরিয়তে বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে শরিয়তের সীমারেখার মধ্যে থেকে তাদের যৌক্তিক পরামর্শ ও অভিজ্ঞতাকে সবসময় যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। মতের মিল না হলেও তাদের সঙ্গে কোনো ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করা যাবে না এবং যৌক্তিক কারণে কথা না মানলে সন্তান অপরাধী হবে না।