চাকরি ডেস্ক: বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে একাডেমিক ডিগ্রি অত্যন্ত জরুরি হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের একক নিশ্চয়তা দেয় না। নিয়োগকর্তারা এখন এমন কর্মী খোঁজেন যারা অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব কাজে প্রয়োগ করতে পারেন এবং নানা সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। মূলত একাডেমিক ডিগ্রি ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রবেশের সুযোগ করে দিলেও সনদকে একমাত্র পুঁজি ভাবলে ক্যারিয়ারে পিছিয়ে পড়তে হয়।
দেশের একটি অনলাইন চাকরির পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে প্রায় ২৮৭ জন আবেদন করছেন, যা আগের তুলনায় ৬৬ শতাংশ বেশি। এই তীব্র প্রতিযোগিতার বাজারে ডিগ্রি মানুষকে কেবল চাকরির দরজায় পৌঁছে দেয়, কিন্তু ভেতরে প্রবেশ করে টিকে থাকার কাজটি করে দক্ষতা। তবে এর মানে এই নয় যে ডিগ্রির কোনো মূল্য নেই, কারণ সরকারি চাকরি বা বহুজাতিক কোম্পানিতে আবেদনের প্রথম ধাপে শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা প্রার্থীর ভিত্তি তৈরি করলেও কর্মক্ষেত্রে সফল হতে গেলে বাস্তব দক্ষতার বিকল্প নেই। একই সনদের অধিকারী দুই প্রার্থীর মধ্যে যিনি ভালো যোগাযোগ করতে পারেন এবং সমস্যার সমাধান করতে জানেন, তিনি বেশি সফলতা পান। তাই নিয়োগকর্তারা সিভির বাইরে ব্যবহারিক কাজ, কেস স্টাডি বা গ্রুপ আলোচনার মাধ্যমে প্রার্থীর বাস্তব দক্ষতা যাচাই করে থাকেন।
ক্যারিয়ারে এগিয়ে থাকতে যোগাযোগ দক্ষতা, ডিজিটাল টুল ব্যবহারের ক্ষমতা, সমস্যা বিশ্লেষণ ও দলগত কাজের মানসিকতার প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য দ্রুত শেখার আগ্রহ এবং ইংরেজি ভাষার দক্ষতা একজন প্রার্থীকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে। তাই কেবল পড়াশোনার শেষ প্রান্তে এসে নয়, বরং শুরু থেকেই দক্ষতা অর্জনের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।






































