ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের মাসের পর মাস অপেক্ষা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের হৃদ্‌রোগ চিকিৎসার একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠান জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে জন্মগত হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য এই অপেক্ষার সময় আরও দীর্ঘ হচ্ছে। অপারেশন থিয়েটারের সংকটের কারণে চাহিদার তুলনায় অনেক কম অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে রোগীদের বাড়তি খরচ ও মানসিক চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এক হাজার ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বছরজুড়ে প্রচুর রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। গত বছর হাসপাতালে বড় অস্ত্রোপচার হয়েছে এক হাজার ৯৭২টি এবং ছোট অস্ত্রোপচার ১৬ হাজার ২৬৯টি। অথচ শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তির হার ছিল ১২০ শতাংশেরও বেশি। শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই হাসপাতালে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের হৃদ্‌রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের উচ্চতর চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের মোট ১০টি অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে কার্ডিয়াক সার্জারির ৭টি এবং ভাসকুলার সার্জারির ৩টি ওটি রয়েছে। এর মধ্যে কার্ডিয়াক সার্জারির দুটি ওটির ব্যবহারের সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় সেগুলো বর্তমানে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে মাত্র পাঁচটি সচল ওটি দিয়ে চিকিৎসাকাজ চালাতে হচ্ছে। এর মধ্যে শিশু কার্ডিয়াক সার্জারির জন্য বরাদ্দ রয়েছে মাত্র একটি ওটি।

রোগীর চাপ বেশি থাকায় বিভিন্ন জেলা থেকে আসা রোগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার শিকার হতে হচ্ছে। চাঁদপুর ও পটুয়াখালী থেকে আসা জন্মগত হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত শিশুদের স্বজনেরা জানিয়েছেন, ভর্তির পর অস্ত্রোপচারের তারিখ পেতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হলেও ওটি সংকটের কারণে নির্দিষ্ট তারিখ মিলছে না।

জনপ্রিয়

ডিগ্রি নাকি দক্ষতা—কোনটি জরুরি

অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের মাসের পর মাস অপেক্ষা

প্রকাশিত ০৬:৫২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের হৃদ্‌রোগ চিকিৎসার একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠান জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে জন্মগত হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য এই অপেক্ষার সময় আরও দীর্ঘ হচ্ছে। অপারেশন থিয়েটারের সংকটের কারণে চাহিদার তুলনায় অনেক কম অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে রোগীদের বাড়তি খরচ ও মানসিক চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এক হাজার ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বছরজুড়ে প্রচুর রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। গত বছর হাসপাতালে বড় অস্ত্রোপচার হয়েছে এক হাজার ৯৭২টি এবং ছোট অস্ত্রোপচার ১৬ হাজার ২৬৯টি। অথচ শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তির হার ছিল ১২০ শতাংশেরও বেশি। শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই হাসপাতালে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের হৃদ্‌রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের উচ্চতর চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের মোট ১০টি অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে কার্ডিয়াক সার্জারির ৭টি এবং ভাসকুলার সার্জারির ৩টি ওটি রয়েছে। এর মধ্যে কার্ডিয়াক সার্জারির দুটি ওটির ব্যবহারের সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় সেগুলো বর্তমানে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে মাত্র পাঁচটি সচল ওটি দিয়ে চিকিৎসাকাজ চালাতে হচ্ছে। এর মধ্যে শিশু কার্ডিয়াক সার্জারির জন্য বরাদ্দ রয়েছে মাত্র একটি ওটি।

রোগীর চাপ বেশি থাকায় বিভিন্ন জেলা থেকে আসা রোগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার শিকার হতে হচ্ছে। চাঁদপুর ও পটুয়াখালী থেকে আসা জন্মগত হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত শিশুদের স্বজনেরা জানিয়েছেন, ভর্তির পর অস্ত্রোপচারের তারিখ পেতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হলেও ওটি সংকটের কারণে নির্দিষ্ট তারিখ মিলছে না।