ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যৌন হয়রানির মামলা: টঙ্গীর সেই মাদ্রাসা ছাত্রীর আদালতে জবানবন্দি, অধ্যক্ষ কারাগারে Logo বই পর্যালোচনা: ‘এবং বই’ এর পুরস্কার পেলেন ১০ জন Logo পুকুরে মাছ, পাড়ে পেঁপেসহ সমন্বিত সবজি চাষে সাফল্য Logo বিনিয়োগ-অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর Logo ডেমোক্র্যাটরা কারচুপি করেছিল, তাই আমার তৃতীয়বার নির্বাচনের অধিকার আছে: ট্রাম্প Logo তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ‘শিক্ষক ও রাজনৈতিক নেতার কাজ চুমু দেওয়া নয়’ Logo রূপপুরে প্রথম ইউনিটে ‘ফিজিক্স টেস্ট’ সম্পন্ন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অপেক্ষা Logo ক্লাসিকোর রেফারি মার্তিনেস মুনুয়েরা Logo হাজতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ভিডিও ভাইরাল, এসআই প্রত্যাহার

পুকুরে মাছ, পাড়ে পেঁপেসহ সমন্বিত সবজি চাষে সাফল্য

কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় মৎস্য ঘেরের পাড়ে পেঁপেসহ নানা ধরনের সবজি চাষ করে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছেন এক কৃষক। রামনগর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা হাজী আহছান উল্যাহ নিজ উদ্যোগে বাড়ির পাশে এই সমন্বিত চাষাবাদ শুরু করেন। তার এই উদ্যোগে পুকুরের পানিতে মাছ চাষের পাশাপাশি পাড়জুড়ে গড়ে উঠেছে সবুজের সমারোহ। বহুমুখী এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও বেশ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি বাড়ির পাশে প্রায় সাড়ে চার শ শতক জমি কেটে একটি বড় পুকুর খনন করেন। ওই পুকুরে তিনি রুই, কাতল, মৃগেল, সিলভার কার্প, সরপুঁটি ও তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছেন। নিয়ম মেনে প্রতিদিন মাছের খাবার দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা করায় মাছগুলো দ্রুত বড় হয়েছে। মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং পুকুরের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি মাঝেমধ্যে কিছু মাছ ধরে থাকেন।

শুধু মাছ চাষে সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি পুকুরপাড়ের ফাঁকা জায়গাকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়েছেন। পরিবারের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা মেটাতে তিনি পুরো পাড়জুড়ে বিষমুক্ত সবজির বাগান গড়ে তুলেছেন। সেখানে পেঁপে ছাড়াও লাউ, চিচিঙ্গা, ঝিঙা, কাঁচা মরিচ, বেগুন ও মিষ্টি কুমড়ার মতো নানা পুষ্টিকর ফসলের চাষ করা হয়েছে। তার উৎপাদিত এই সবজি পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি উপার্জনের পথও দেখাচ্ছে।

কৃষক হাজী আহছান উল্যাহ জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আসছেন। তার বাগানের একেকটি পেঁপের ওজন প্রায় চার কেজি পর্যন্ত হয় এবং পাকা পেঁপে প্রতি কেজি আশির টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে তার পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি দৈনন্দিন বাজারের খরচও অনেকটা কমে গেছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সফিক উল্যাহ এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. কামরুজ্জামান তার এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

যৌন হয়রানির মামলা: টঙ্গীর সেই মাদ্রাসা ছাত্রীর আদালতে জবানবন্দি, অধ্যক্ষ কারাগারে

পুকুরে মাছ, পাড়ে পেঁপেসহ সমন্বিত সবজি চাষে সাফল্য

প্রকাশিত ০৯:০৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় মৎস্য ঘেরের পাড়ে পেঁপেসহ নানা ধরনের সবজি চাষ করে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছেন এক কৃষক। রামনগর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা হাজী আহছান উল্যাহ নিজ উদ্যোগে বাড়ির পাশে এই সমন্বিত চাষাবাদ শুরু করেন। তার এই উদ্যোগে পুকুরের পানিতে মাছ চাষের পাশাপাশি পাড়জুড়ে গড়ে উঠেছে সবুজের সমারোহ। বহুমুখী এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও বেশ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি বাড়ির পাশে প্রায় সাড়ে চার শ শতক জমি কেটে একটি বড় পুকুর খনন করেন। ওই পুকুরে তিনি রুই, কাতল, মৃগেল, সিলভার কার্প, সরপুঁটি ও তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছেন। নিয়ম মেনে প্রতিদিন মাছের খাবার দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা করায় মাছগুলো দ্রুত বড় হয়েছে। মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং পুকুরের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি মাঝেমধ্যে কিছু মাছ ধরে থাকেন।

শুধু মাছ চাষে সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি পুকুরপাড়ের ফাঁকা জায়গাকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়েছেন। পরিবারের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা মেটাতে তিনি পুরো পাড়জুড়ে বিষমুক্ত সবজির বাগান গড়ে তুলেছেন। সেখানে পেঁপে ছাড়াও লাউ, চিচিঙ্গা, ঝিঙা, কাঁচা মরিচ, বেগুন ও মিষ্টি কুমড়ার মতো নানা পুষ্টিকর ফসলের চাষ করা হয়েছে। তার উৎপাদিত এই সবজি পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি উপার্জনের পথও দেখাচ্ছে।

কৃষক হাজী আহছান উল্যাহ জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আসছেন। তার বাগানের একেকটি পেঁপের ওজন প্রায় চার কেজি পর্যন্ত হয় এবং পাকা পেঁপে প্রতি কেজি আশির টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে তার পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি দৈনন্দিন বাজারের খরচও অনেকটা কমে গেছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সফিক উল্যাহ এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. কামরুজ্জামান তার এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।