ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে নিন্দা-উদ্বেগ, অপসারণের দাবি Logo ‘ভারতীয় শীর্ষ গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক’ Logo ‘মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাল্যবিয়ে সমাধান নয়’ Logo ‘মিথ্যায়’ ভর করে শাহাদাত মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন: এনসিপি Logo এক দিনের জনপ্রতিনিধি হলে শিশুদের জন্য কাজ করতাম Logo চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করবে ইপসা Logo দেশে প্রথমবারের মত ফরাসি অপেরা ফিউশন Logo এলভিসের ২৭৪ গান চুরি, মামলা অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে Logo ‘প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী নগরী’ গড়তে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo ঘরে ছারপোকার হানা? রয়েছে চেনার উপায় আর তাড়ানোর কার্যকর কৌশল

‘মিথ্যায়’ ভর করে শাহাদাত মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন: এনসিপি

রাজনীতি ডেস্ক: মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন বলে অভিযোগ করেছে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনসিপি)। গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পক্ষ থেকে এই গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্প্রতি শাহাদাত হোসেনকে চসিকের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এই প্রজ্ঞাপন জারির প্রতিবাদ এবং বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় তুলে ধরতে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা দাবি করেন, নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে এতদিন শাহাদাত হোসেন অবৈধভাবে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০২১ সালের সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় নিয়ম অনুযায়ী চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আদালতের রায় ও ২০২৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদ থাকার কথা বলে এতদিন পদে বহাল ছিলেন। এনসিপি নেতাদের মতে, সরকার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে তাকে প্রশাসক করায় এটি আদালত অবমাননার শামিল।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, শাহাদাত হোসেন ফেব্রুয়ারির পর থেকে মেয়র হিসেবে যত বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন তা তাকে অবশ্যই ফেরত দিতে হবে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধনে চরম ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়। ফুটপাতে চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মদদ দেওয়ার অভিযোগও তোলেন দলটির নেতারা। মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে রেজাউল করিম চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত হলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে শাহাদাত হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয়েছিল। গত বছরের শেষের দিকে তিনি শপথ গ্রহণ করে মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় সরকার বিভাগের নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এখন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলো। এই পুরো প্রক্রিয়া এবং বিগত সময়ের কার্যকাল নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে নিন্দা-উদ্বেগ, অপসারণের দাবি

‘মিথ্যায়’ ভর করে শাহাদাত মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন: এনসিপি

প্রকাশিত ০৭:০৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন বলে অভিযোগ করেছে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনসিপি)। গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পক্ষ থেকে এই গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্প্রতি শাহাদাত হোসেনকে চসিকের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এই প্রজ্ঞাপন জারির প্রতিবাদ এবং বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় তুলে ধরতে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা দাবি করেন, নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে এতদিন শাহাদাত হোসেন অবৈধভাবে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০২১ সালের সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় নিয়ম অনুযায়ী চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আদালতের রায় ও ২০২৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদ থাকার কথা বলে এতদিন পদে বহাল ছিলেন। এনসিপি নেতাদের মতে, সরকার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে তাকে প্রশাসক করায় এটি আদালত অবমাননার শামিল।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, শাহাদাত হোসেন ফেব্রুয়ারির পর থেকে মেয়র হিসেবে যত বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন তা তাকে অবশ্যই ফেরত দিতে হবে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধনে চরম ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়। ফুটপাতে চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মদদ দেওয়ার অভিযোগও তোলেন দলটির নেতারা। মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে রেজাউল করিম চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত হলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে শাহাদাত হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয়েছিল। গত বছরের শেষের দিকে তিনি শপথ গ্রহণ করে মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় সরকার বিভাগের নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এখন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলো। এই পুরো প্রক্রিয়া এবং বিগত সময়ের কার্যকাল নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।