ফিচার ডেস্ক: এক দিনের জন্য জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পেলে শিশুরা সবার আগে নিজেদের বয়সিদের অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করত। তাদের প্রধান লক্ষ্য থাকত কোনো শিশু যেন আর্থিক সংকটের কারণে পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত না হয়। এছাড়া এলাকার প্রতিটি শিশুকে নিরাপদে রাখা এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে তারা।
শিশুরা মনে করে, আগামী দিনের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। মাত্র একদিনের দায়িত্ব পেলেও তারা এলাকার রাস্তাঘাট মেরামত এবং প্রতিটি মহল্লায় খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিত। এর ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুরা খেলাধুলা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে নিজেদের শৈশব উপভোগ করতে পারত।
জনপ্রতিনিধি হলে সমাজে বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রমের মতো অভিশাপ বন্ধ করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিত এই খুদে প্রতিনিধিরা। কোনো শিশুই যেন নির্যাতন কিংবা বঞ্চনার শিকার না হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখার কথা জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি, শিশুরা যাতে নিজেদের মতামত নির্ভয়ে প্রকাশ করতে পারে, সেই উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির কথাও বলা হয়েছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ের মান বাড়ানোর পরিকল্পনাও তাদের ভাবনায় ছিল। তারা উপলব্ধি করে যে একদিনে সব সমস্যার সমাধান করা অসম্ভব, তবে দীর্ঘমেয়াদি সুফল বয়ে আনে এমন কাজের ভিত্তি স্থাপন করা সম্ভব। শিশুদের এই ভাবনাগুলো মূলত তাদের অধিকার ও সুস্থ বিকাশের আকাক্সক্ষাকেই ফুটিয়ে তোলে।





































