ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভুল তথ্য বেশি প্রভাবিত করে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘এথনিক’ এখন ঢাকায় Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদন শুরুর অনুমোদন Logo যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ৫ ঘণ্টা পর ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট Logo মাসিকের সময় স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় Logo ‘দখলদাররা উৎসাহিত হয় এমন প্রশ্ন করবেন না’, সাংবাদিকদের বললেন ডিএসসিসি প্রশাসক Logo দুই ঘণ্টা পর বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ওয়েবসাইট ক্লোন’ করে নিয়োগ জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ১ Logo এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, উঠেছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ Logo ডেটা সেবায় নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় তৃতীয় প্রান্তিকেও রবির শক্তিশালী মুনাফা

স্কুলে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি

শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়ে শিক্ষার্থীদের সুস্থতা এবং স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগার থাকা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে কিশোরীদের মাসিকের সময় স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকলে অনেক মেয়েকে বিদ্যালয়ে নানা ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এতে মাসিকের সময় নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিয়েও তারা নানা দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়।

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা, নিরাপদ এবং পরিচ্ছন্ন শৌচাগার থাকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে নিয়মিত পানি সরবরাহ, জীবাণুনাশক ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার ব্যবস্থা থাকতে হবে। পাশাপাশি স্যানিটারি প্যাডসহ মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার নানা সরঞ্জাম বিদ্যালয়ে রাখা দরকার। এর ফলে কোনো ছাত্রীর হঠাৎ প্রয়োজন দেখা দিলে সে খুব সহজেই সেখান থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা লাভ করতে পারবে।

স্কুল প্রাঙ্গণে ব্যবহৃত স্যানিটারি প্যাড নিরাপদে ফেলার জন্যও যথাযথ ও স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক। মাসিকের বিষয়টি মেয়েদের জীবনের একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এই প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে অযথা লজ্জা বা সংকোচ বোধ করার কোনো অবকাশ নেই। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাসিকের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং কিশোরীদের এই বিশেষ সময়ের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

শিক্ষক এবং সহপাঠীদেরও এ বিষয়ে যথেষ্ট সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে। সবার সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকলে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যেকোনো প্রয়োজনের কথা নির্দ্বিধায় প্রকাশ করতে পারবে। প্রয়োজনীয় সুবিধার অভাবে কোনো কিশোরীর পড়াশোনা বা বিদ্যালয়মুখী হওয়ার যাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।

জনপ্রিয়

বয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভুল তথ্য বেশি প্রভাবিত করে: তথ্য উপদেষ্টা

স্কুলে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি

প্রকাশিত ০৬:২২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়ে শিক্ষার্থীদের সুস্থতা এবং স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগার থাকা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে কিশোরীদের মাসিকের সময় স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকলে অনেক মেয়েকে বিদ্যালয়ে নানা ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এতে মাসিকের সময় নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিয়েও তারা নানা দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়।

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা, নিরাপদ এবং পরিচ্ছন্ন শৌচাগার থাকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে নিয়মিত পানি সরবরাহ, জীবাণুনাশক ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার ব্যবস্থা থাকতে হবে। পাশাপাশি স্যানিটারি প্যাডসহ মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার নানা সরঞ্জাম বিদ্যালয়ে রাখা দরকার। এর ফলে কোনো ছাত্রীর হঠাৎ প্রয়োজন দেখা দিলে সে খুব সহজেই সেখান থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা লাভ করতে পারবে।

স্কুল প্রাঙ্গণে ব্যবহৃত স্যানিটারি প্যাড নিরাপদে ফেলার জন্যও যথাযথ ও স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক। মাসিকের বিষয়টি মেয়েদের জীবনের একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এই প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে অযথা লজ্জা বা সংকোচ বোধ করার কোনো অবকাশ নেই। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাসিকের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং কিশোরীদের এই বিশেষ সময়ের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

শিক্ষক এবং সহপাঠীদেরও এ বিষয়ে যথেষ্ট সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে। সবার সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকলে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যেকোনো প্রয়োজনের কথা নির্দ্বিধায় প্রকাশ করতে পারবে। প্রয়োজনীয় সুবিধার অভাবে কোনো কিশোরীর পড়াশোনা বা বিদ্যালয়মুখী হওয়ার যাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।