ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘দখলদাররা উৎসাহিত হয় এমন প্রশ্ন করবেন না’, সাংবাদিকদের বললেন ডিএসসিসি প্রশাসক Logo দুই ঘণ্টা পর বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ওয়েবসাইট ক্লোন’ করে নিয়োগ জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ১ Logo এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, উঠেছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ Logo ডেটা সেবায় নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় তৃতীয় প্রান্তিকেও রবির শক্তিশালী মুনাফা Logo নওগাঁর সাবেক এমপি ছলিম ও তার ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ Logo মাস্টহেড পিআর-এর চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড গ্রোথ অফিসার হিসেবে যোগ দিলেন আশিক ইকবাল Logo লালমনিরহাটে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে সার ডিলার নিয়োগের অভিযোগ, বিএনপির সংবাদ সম্মেলন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট উৎসবমুখর হয়েছে : ইসি সচিব Logo ঢাকায় জাতীয় যুব মেলা স্থগিত, জেলায়-উপজেলায় হবে আয়োজন

এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, উঠেছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ নিয়ে বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫০ কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের তথ্য প্রকাশ্যে এলেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজার শামীম আহমেদ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরকত উল রইসের একটি সিন্ডিকেট এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি ইডিসিএলে প্রায় ৯০ জনের একটি নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে যেখানে জুলাই যোদ্ধা কোটার নাম ব্যবহার করে স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে শামীম আহমেদের নিকটাত্মীয়সহ সিংহভাগ প্রার্থীই ভুয়া পরিচয়ে বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ২০১৩ সালে একটি দুর্নীতি মামলায় শামীম আহমেদকে চাকরিচ্যুত করা হলেও পরবর্তীতে তাঁকে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই পুনরায় ডেপুটি ম্যানেজার পদে পুনর্বাসন করা হয়।

অভিযুক্ত চক্রটি ইডিসিএলের প্রশাসন বিভাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বদলি বাণিজ্য ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কর্মচারীদের চাকরি হারানোর ভয় দেখিয়ে এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে তাঁরা নিয়মিত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে এই চক্রটি প্রশাসনিক নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একচ্ছত্রভাবে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীকে বারবার লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উল্টো এমডি আশরাফুজ্জামান ওই সিন্ডিকেটকে সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় অবিলম্বে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা।

জনপ্রিয়

‘দখলদাররা উৎসাহিত হয় এমন প্রশ্ন করবেন না’, সাংবাদিকদের বললেন ডিএসসিসি প্রশাসক

এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, উঠেছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

প্রকাশিত ০৭:০৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ নিয়ে বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫০ কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের তথ্য প্রকাশ্যে এলেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজার শামীম আহমেদ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরকত উল রইসের একটি সিন্ডিকেট এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি ইডিসিএলে প্রায় ৯০ জনের একটি নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে যেখানে জুলাই যোদ্ধা কোটার নাম ব্যবহার করে স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে শামীম আহমেদের নিকটাত্মীয়সহ সিংহভাগ প্রার্থীই ভুয়া পরিচয়ে বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ২০১৩ সালে একটি দুর্নীতি মামলায় শামীম আহমেদকে চাকরিচ্যুত করা হলেও পরবর্তীতে তাঁকে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই পুনরায় ডেপুটি ম্যানেজার পদে পুনর্বাসন করা হয়।

অভিযুক্ত চক্রটি ইডিসিএলের প্রশাসন বিভাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বদলি বাণিজ্য ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কর্মচারীদের চাকরি হারানোর ভয় দেখিয়ে এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে তাঁরা নিয়মিত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে এই চক্রটি প্রশাসনিক নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একচ্ছত্রভাবে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীকে বারবার লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উল্টো এমডি আশরাফুজ্জামান ওই সিন্ডিকেটকে সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় অবিলম্বে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা।