ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পর্যটন বাড়াতে হিমালয় ও বঙ্গোপসাগরকে ‘মেলাতে চান’ নেপালের রাষ্ট্রদূত Logo দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় এসসিও বৈঠকে পাকিস্তানকে ডাকল ভারত Logo ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতা Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘের দ্বারস্থ শেখ হাসিনা Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সহযোগিতা স্মারক সই Logo বিশ্বজয়ের সাফল্য, ইন্ডাস্ট্রির হতাশা নিয়ে ‘স্টার স্টোরিজ’-এ মনোজ প্রামাণিক Logo নির্বাচনে ইসরায়েলি ইহুদিদের অপ্রত্যাশিত সমর্থনে সংকট উৎরে গেলেন নেতানিয়াহু Logo শফিক রিয়ানের কথাসাহিত্যে নতুন সংযোজন ‘প্ররোচক’ Logo মাদারীপুরে শতাধিক বাড়িতে হামলা-লুটপাট Logo রোমানদের ১৬০০ বছরের পুরনো কাচশিল্পের রহস্য উদ্ধার

ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতা

রাজধানী ডেস্ক: সম্প্রতি ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত ঘোষণা করে সংস্থাটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানকে অর্পণ করা হয়েছে। বোর্ডের কার্যক্রম বন্ধ থাকার এই সময়ে তিনি এককভাবে প্রতিষ্ঠানটির সব কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ শাখা-২ থেকে গত ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এবং জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ সংশোধন আইনের নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ প্রজ্ঞাপনে প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে গত ২৫ আগস্ট অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা ড. মুহা. মনিরুজ্জামানকে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর পূর্বে তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে গত ২ আগস্ট বুয়েট অধ্যাপক সাব্বির মোস্তফা খানকে তিন বছরের মেয়াদে ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিল সরকার। তবে বর্তমান প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুরো বোর্ডটিই বিলুপ্ত করা হলো। উল্লেখ্য, ঢাকা ওয়াসা রাজধানী ঢাকা এবং তার আশপাশের এলাকায় পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার মতো জরুরি সেবা পরিচালনা করে থাকে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্বও এই প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

বোর্ড বিলুপ্ত হওয়ার ফলে সংস্থাটির নীতি নির্ধারণী ও পরিচালনার একক ক্ষমতা এখন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের হাতে চলে গেল। এই পরিবর্তনের ফলে ঢাকা ওয়াসার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। জনস্বার্থ রক্ষায় এবং সেবার মান বজায় রাখতে এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

পর্যটন বাড়াতে হিমালয় ও বঙ্গোপসাগরকে ‘মেলাতে চান’ নেপালের রাষ্ট্রদূত

ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতা

প্রকাশিত ০৯:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানী ডেস্ক: সম্প্রতি ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত ঘোষণা করে সংস্থাটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানকে অর্পণ করা হয়েছে। বোর্ডের কার্যক্রম বন্ধ থাকার এই সময়ে তিনি এককভাবে প্রতিষ্ঠানটির সব কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ শাখা-২ থেকে গত ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এবং জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ সংশোধন আইনের নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ প্রজ্ঞাপনে প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে গত ২৫ আগস্ট অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা ড. মুহা. মনিরুজ্জামানকে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর পূর্বে তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে গত ২ আগস্ট বুয়েট অধ্যাপক সাব্বির মোস্তফা খানকে তিন বছরের মেয়াদে ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিল সরকার। তবে বর্তমান প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুরো বোর্ডটিই বিলুপ্ত করা হলো। উল্লেখ্য, ঢাকা ওয়াসা রাজধানী ঢাকা এবং তার আশপাশের এলাকায় পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার মতো জরুরি সেবা পরিচালনা করে থাকে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্বও এই প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

বোর্ড বিলুপ্ত হওয়ার ফলে সংস্থাটির নীতি নির্ধারণী ও পরিচালনার একক ক্ষমতা এখন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের হাতে চলে গেল। এই পরিবর্তনের ফলে ঢাকা ওয়াসার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। জনস্বার্থ রক্ষায় এবং সেবার মান বজায় রাখতে এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।