ডেস্ক রিপোর্ট: অনুমোদন না পাওয়ায় চলতি বছরও মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জাতীয় ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্ট্রার বা এনইআইআর পদ্ধতি চালু করা সম্ভব হয়নি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য তারা এখন সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে এনইআইআর চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর করা যায়নি। গত এক দশকে হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য তিনবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি।
সরকার পক্ষের মতে, অসাধু ব্যবসায়ীরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই ও নিম্নমানের ফোন দেশের বাজারে আনায় আর্থিক অপরাধ ও প্রতারণা বাড়ছে। অন্যদিকে গ্রে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছিলেন, এমনকি বিটিআরসি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরও চালিয়েছিলেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, দেশে ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটের বড় একটি অংশ এই গ্রে মার্কেট থেকে আসে এবং আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করলে ফোনের দাম বেড়ে যাবে।
বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বৈধভাবে ফোন আমদানির হার অত্যন্ত কম হলেও স্থানীয়ভাবে প্রচুর হ্যান্ডসেট তৈরি হচ্ছে। এছাড়া দেশে কোটি কোটি ক্লোন বা ভুয়া আইএমইআই নম্বর সংবলিত মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে সক্রিয় রয়েছে বলে সরকারি তথ্যে উঠে এসেছে। একটিমাত্র আইএমইআই নম্বরের বিপরীতে কোটিরও বেশি হ্যান্ডসেট চলার বিষয়টি নজরে আসার পরই মূলত এই ব্যবস্থা চালুর তাগিদ জোরালো হয়।
এ বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, এনইআইআর বাস্তবায়নের জন্য তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন এবং এসংক্রান্ত অনুমোদনের চিঠি গত সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত পেলেই এই কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।





































