ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ২৬০ শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ৪ শিক্ষক: ধুঁকে ধুঁকে চলছে পাবিপ্রবির সমাজকর্ম বিভাগ Logo ছাত্রদল নেতা সুমন সরদারের নেতৃত্বে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটি দখলের চেষ্টা Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন কুবি শাখার সভাপতি ইফতি সাধারণ সম্পাদক শাওন Logo বাকৃবিতে আবাসিক হলে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় জোড়া তদন্ত কমিটি গঠন Logo হুট করে বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন নোবিপ্রবি উপাচার্যের Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রশাসনের সাথে কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় Logo নতুন গান ‘তোমার কলরব’ নিয়ে ফিরলেন মিলানা মমিন Logo জাবিতে ছাত্রশিবিরের ‘জুলাই অভ্যুত্থান রান ২০২৬ ’ মিনি ম্যারাথন Logo দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ Logo জাবির ২২ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ৩২ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার, গবেষণার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সিঙ্গেল রড গর্ভনিরোধক ইমপ্ল্যান্ট চালু করলো টেকনো ড্রাগস লিমিটেড

টেকনো ড্রাগস লিমিটেড ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশে কন্ট্রাসেপটিভ (গর্ভনিরোধক) ইমপ্ল্যান্ট উৎপাদন করে আসছে। নিজস্ব কন্ট্রাসেপটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশীয়ভাবে একমাত্র এবং বিশ্বব্যাপী মাত্র পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি হিসেবে এই সক্ষমতা অর্জন করেছে। টেকনো ড্রাগস- এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও খ্যাতিমান ফার্মাসিস্ট শাহ জালাল উদ্দিন আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে একক রড (সিঙ্গেল রড) ইমপ্ল্যান্ট উন্নয়নে ধারাবাহিক গবেষণা চালানো হয়।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক টেকনো ড্রাগস এবার দেশে প্রথমবারের মতো সিঙ্গেল রড ইমপ্ল্যান্ট উৎপাদন শুরু করে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। নতুন এই প্রযুক্তি জন্মনিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত পূর্বের ডবল রড ইমপ্ল্যান্টের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। ২০১৯ সালে ইমপ্ল্যান্ট কারখানা চালুর পর থেকেই গবেষণা শুরু হয় এবং আজ টেকনো ড্রাগস গর্বের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র এবং বিশ্বের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সিঙ্গেল রড ইমপ্ল্যান্ট উৎপাদন সুবিধা পরিচালনা করছে।

কারখানার “ইটিও প্ল্যান্ট” নামে একটি পৃথক বিভাগ সিঙ্গেল রড ইমপ্ল্যান্ট উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত হয়েছে। এটি নিরাপদ, কার্যকর এবং দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ সমাধান দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এ অর্জন বৈশ্বিক প্রজননস্বাস্থ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে, আমদানিনির্ভরতা কমিয়েছে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে মানসম্মত কন্ট্রাসেপটিভের প্রবেশাধিকার সম্প্রসারিত করেছে।

টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, “এটি শুধু টেকনো ড্রাগসের জন্য নয়, পুরো দেশের জন্যই একটি বড় মাইলফলক। দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় সিঙ্গেল রড ইমপ্ল্যান্ট কারখানা ‘ইটিও প্ল্যান্ট’ চালুর মাধ্যমে আমরা জন্মনিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্যসেবায় সহজলভ্যতা, সাশ্রয় এবং উদ্ভাবনকে নতুনভাবে উপস্থাপন করছি।”

১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড অনকোলজি থেকে শুরু করে হরমোনাল ওষুধ পর্যন্ত ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে ধারাবাহিকভাবে উদ্ভাবন চালিয়ে আসছে। গত ১৫ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি একটি অত্যাধুনিক অনকোলজি উৎপাদন কারখানা সফলভাবে পরিচালনা করছে।

আন্তর্জাতিক গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (GMP) মান অনুযায়ী নির্মিত সম্প্রসারিত এই ফ্যাসিলিটি উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং উন্নতমানের অনকোলজি ও হরমোনাল থেরাপির বিস্তৃত পরিসর প্রবর্তন করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক পর্যায়ে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত ক্যান্সার চিকিৎসার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

বিগত বছরগুলোতে টেকনো ড্রাগস একাধিক মাইলফলক অর্জন করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০১০ সালে দেশে প্রথমবারের মতো অনকোলজি ওষুধ উৎপাদন এবং ২০১৮ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কন্ট্রাসেপটিভ ইনজেকটেবল ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি অনকোলজি ও হরমোনাল উভয় ওষুধ উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় এবং এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে শক্তিশালী রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ISO 9001:2015 সনদ, কঠোর GMP অনুসরণ এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড বৈশ্বিক ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে নেতৃত্বের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলেছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং উচ্চমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে মানুষের জীবনমান উন্নত করার প্রতিশ্রুতিতে অটল।

জনপ্রিয়

২৬০ শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ৪ শিক্ষক: ধুঁকে ধুঁকে চলছে পাবিপ্রবির সমাজকর্ম বিভাগ

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সিঙ্গেল রড গর্ভনিরোধক ইমপ্ল্যান্ট চালু করলো টেকনো ড্রাগস লিমিটেড

প্রকাশিত ০৯:৩২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টেকনো ড্রাগস লিমিটেড ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশে কন্ট্রাসেপটিভ (গর্ভনিরোধক) ইমপ্ল্যান্ট উৎপাদন করে আসছে। নিজস্ব কন্ট্রাসেপটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশীয়ভাবে একমাত্র এবং বিশ্বব্যাপী মাত্র পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি হিসেবে এই সক্ষমতা অর্জন করেছে। টেকনো ড্রাগস- এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও খ্যাতিমান ফার্মাসিস্ট শাহ জালাল উদ্দিন আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে একক রড (সিঙ্গেল রড) ইমপ্ল্যান্ট উন্নয়নে ধারাবাহিক গবেষণা চালানো হয়।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক টেকনো ড্রাগস এবার দেশে প্রথমবারের মতো সিঙ্গেল রড ইমপ্ল্যান্ট উৎপাদন শুরু করে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। নতুন এই প্রযুক্তি জন্মনিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত পূর্বের ডবল রড ইমপ্ল্যান্টের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। ২০১৯ সালে ইমপ্ল্যান্ট কারখানা চালুর পর থেকেই গবেষণা শুরু হয় এবং আজ টেকনো ড্রাগস গর্বের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র এবং বিশ্বের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সিঙ্গেল রড ইমপ্ল্যান্ট উৎপাদন সুবিধা পরিচালনা করছে।

কারখানার “ইটিও প্ল্যান্ট” নামে একটি পৃথক বিভাগ সিঙ্গেল রড ইমপ্ল্যান্ট উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত হয়েছে। এটি নিরাপদ, কার্যকর এবং দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ সমাধান দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এ অর্জন বৈশ্বিক প্রজননস্বাস্থ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে, আমদানিনির্ভরতা কমিয়েছে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে মানসম্মত কন্ট্রাসেপটিভের প্রবেশাধিকার সম্প্রসারিত করেছে।

টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, “এটি শুধু টেকনো ড্রাগসের জন্য নয়, পুরো দেশের জন্যই একটি বড় মাইলফলক। দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় সিঙ্গেল রড ইমপ্ল্যান্ট কারখানা ‘ইটিও প্ল্যান্ট’ চালুর মাধ্যমে আমরা জন্মনিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্যসেবায় সহজলভ্যতা, সাশ্রয় এবং উদ্ভাবনকে নতুনভাবে উপস্থাপন করছি।”

১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড অনকোলজি থেকে শুরু করে হরমোনাল ওষুধ পর্যন্ত ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে ধারাবাহিকভাবে উদ্ভাবন চালিয়ে আসছে। গত ১৫ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি একটি অত্যাধুনিক অনকোলজি উৎপাদন কারখানা সফলভাবে পরিচালনা করছে।

আন্তর্জাতিক গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (GMP) মান অনুযায়ী নির্মিত সম্প্রসারিত এই ফ্যাসিলিটি উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং উন্নতমানের অনকোলজি ও হরমোনাল থেরাপির বিস্তৃত পরিসর প্রবর্তন করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক পর্যায়ে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত ক্যান্সার চিকিৎসার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

বিগত বছরগুলোতে টেকনো ড্রাগস একাধিক মাইলফলক অর্জন করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০১০ সালে দেশে প্রথমবারের মতো অনকোলজি ওষুধ উৎপাদন এবং ২০১৮ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কন্ট্রাসেপটিভ ইনজেকটেবল ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি অনকোলজি ও হরমোনাল উভয় ওষুধ উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় এবং এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে শক্তিশালী রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ISO 9001:2015 সনদ, কঠোর GMP অনুসরণ এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড বৈশ্বিক ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে নেতৃত্বের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলেছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং উচ্চমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে মানুষের জীবনমান উন্নত করার প্রতিশ্রুতিতে অটল।