ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বদলে গেছে এইচএসসির ফল জানার পদ্ধতি, নতুন নিয়ম জেনে নিন

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে প্রকাশিত হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। চলতি বছর সব বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, সারা দেশে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত কিছু পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাকি পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা হয় এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও শেষ করা হয়। প্রাকৃতিক নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ করে ফল প্রকাশ করে।

শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছেন। এছাড়া এবার ফলাফল জানার এসএমএস পাঠানোর নম্বরে বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগের বছরগুলোর ১৬২২২ নম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষার্থীদের এখন ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানতে হচ্ছে। মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসরণ করে এই নম্বরে বার্তা পাঠাতে হয়।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে তিনি ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে এই পুনর্নিরীক্ষার আবেদন গ্রহণ করা হবে। পুনর্নিরীক্ষার বিস্তারিত নিয়মাবলি ইতিমধ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

বদলে গেছে এইচএসসির ফল জানার পদ্ধতি, নতুন নিয়ম জেনে নিন

প্রকাশিত ১১:৩৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে প্রকাশিত হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। চলতি বছর সব বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, সারা দেশে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত কিছু পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাকি পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা হয় এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও শেষ করা হয়। প্রাকৃতিক নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ করে ফল প্রকাশ করে।

শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছেন। এছাড়া এবার ফলাফল জানার এসএমএস পাঠানোর নম্বরে বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগের বছরগুলোর ১৬২২২ নম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষার্থীদের এখন ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানতে হচ্ছে। মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসরণ করে এই নম্বরে বার্তা পাঠাতে হয়।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে তিনি ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে এই পুনর্নিরীক্ষার আবেদন গ্রহণ করা হবে। পুনর্নিরীক্ষার বিস্তারিত নিয়মাবলি ইতিমধ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।