ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বড় ধস এইচএসসির ফলে

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। সার্বিক পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিন্ম। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ফলাফল বা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

চলতি বছর সারা দেশের ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়েছিলেন। এর মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন প্রায় ২২ থেকে ২৫ হাজার পরীক্ষার্থী। গত ২ জুলাই পরীক্ষা শুরু হয়ে নির্ধারিত সময়ে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু পরীক্ষা পেছানো হয়েছিল। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া লিখিত পরীক্ষাগুলো শেষ হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লেগেছিল।

সাম্প্রতিক এই ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার সাফল্যের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক পতন ঘটেছে। এ বছর মাত্র ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক কম, যা শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে। মাদ্রাসা বোর্ডের ফলাফলেও অনুরূপ নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

গত এক দশকের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০১৬ সাল থেকে বিভিন্ন বছরে পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যায় নানা ওঠানামা ছিল। করোনা মহামারির বছরগুলোতে বিশেষ মূল্যায়নের সুবাদে পাসের হার ও শীর্ষ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সেই হার কমতে শুরু করে এবং বর্তমান বছরে তা সর্বনিম্ন স্তরে এসে ঠেকেছে।

জনপ্রিয়

আমরা জনগণের অধিকার আদায় করেই ছাড়বো: শফিকুর রহমান

বড় ধস এইচএসসির ফলে

প্রকাশিত ১২:০৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। সার্বিক পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিন্ম। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ফলাফল বা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

চলতি বছর সারা দেশের ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়েছিলেন। এর মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন প্রায় ২২ থেকে ২৫ হাজার পরীক্ষার্থী। গত ২ জুলাই পরীক্ষা শুরু হয়ে নির্ধারিত সময়ে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু পরীক্ষা পেছানো হয়েছিল। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া লিখিত পরীক্ষাগুলো শেষ হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লেগেছিল।

সাম্প্রতিক এই ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার সাফল্যের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক পতন ঘটেছে। এ বছর মাত্র ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক কম, যা শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে। মাদ্রাসা বোর্ডের ফলাফলেও অনুরূপ নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

গত এক দশকের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০১৬ সাল থেকে বিভিন্ন বছরে পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যায় নানা ওঠানামা ছিল। করোনা মহামারির বছরগুলোতে বিশেষ মূল্যায়নের সুবাদে পাসের হার ও শীর্ষ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সেই হার কমতে শুরু করে এবং বর্তমান বছরে তা সর্বনিম্ন স্তরে এসে ঠেকেছে।