ঢাকা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনে বিপদ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে বিএমআই ২৫-এর বেশি হলে অতিরিক্ত ওজন এবং ৩০-এর বেশি হলে স্থূলতা বলা হয়। তবে দক্ষিণ এশিয়ার বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে বিএমআই ২৩-এর বেশি হলেই তাকে অতিরিক্ত ওজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ক্যালরি গ্রহণ এবং সে অনুযায়ী শারীরিক পরিশ্রম না করা এই সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ।

অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হওয়া ছাড়াও জিনগত, বিপাকীয় কিংবা হরমোনজনিত সমস্যার কারণেও স্থূলতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং মানসিক চাপ বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ওজন বৃদ্ধির পথকে ত্বরান্বিত করে। কম ঘুমালে শরীরে ক্ষুধা বাড়ানোর হরমোন বৃদ্ধি পায় এবং কর্টিসল হরমোন ওজন কমাতে বাধা সৃষ্টি করে।

বর্তমান সময়ে শিশুদের মধ্যেও স্থূলতার সমস্যা একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। ফাস্ট ফুড খাওয়া বৃদ্ধি পাওয়া, খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং কম ঘুমানোর কারণে শিশুদের ওজন দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে।

এই বিপদ থেকে বাঁচতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে প্রোটিন, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। এছাড়া নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন এবং রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

জনপ্রিয়

ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টায় ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত, আশাবাদী পাকিস্তান

অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনে বিপদ

প্রকাশিত ০৮:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে বিএমআই ২৫-এর বেশি হলে অতিরিক্ত ওজন এবং ৩০-এর বেশি হলে স্থূলতা বলা হয়। তবে দক্ষিণ এশিয়ার বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে বিএমআই ২৩-এর বেশি হলেই তাকে অতিরিক্ত ওজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ক্যালরি গ্রহণ এবং সে অনুযায়ী শারীরিক পরিশ্রম না করা এই সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ।

অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হওয়া ছাড়াও জিনগত, বিপাকীয় কিংবা হরমোনজনিত সমস্যার কারণেও স্থূলতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং মানসিক চাপ বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ওজন বৃদ্ধির পথকে ত্বরান্বিত করে। কম ঘুমালে শরীরে ক্ষুধা বাড়ানোর হরমোন বৃদ্ধি পায় এবং কর্টিসল হরমোন ওজন কমাতে বাধা সৃষ্টি করে।

বর্তমান সময়ে শিশুদের মধ্যেও স্থূলতার সমস্যা একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। ফাস্ট ফুড খাওয়া বৃদ্ধি পাওয়া, খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং কম ঘুমানোর কারণে শিশুদের ওজন দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে।

এই বিপদ থেকে বাঁচতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে প্রোটিন, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। এছাড়া নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন এবং রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।