ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

লাখ টাকার ঘুষসহ সার্ভেয়ার আটক

অপরাধ ডেস্ক: জমির সীমানা নির্ধারণ এবং নামজারির কাজ করে দেওয়ার শর্তে এক লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম নামের এক সার্ভেয়ারকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা ঢাকার লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এই আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে মোট ৮০ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল।

ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক মো. মনিরুল ইসলাম চর-কামরাঙ্গী মৌজার ২৮২ শতাংশ জমির সীমানা নির্ধারণ ও স্কেচম্যাপ তৈরির জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছিলেন। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের দপ্তরে যোগাযোগ করেও তিনি ওই জমির কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি। পরবর্তীতে তাকে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার আসাদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

যোগাযোগের পর সার্ভেয়ার আসাদুল ইসলাম ওই জমির যাবতীয় কাজ দ্রুত শেষ করে দেওয়ার জন্য ৮০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এই অস্বাভাবিক ঘুষের দাবির বিষয়টি মানতে না পেরে অভিযোগকারী দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইকারী সংস্থা দুদকের শরণাপন্ন হন। তিনি সংস্থাকে পুরো বিষয়টি অবহিত করে ওই কর্মকর্তাকে ধরতে একটি বিশেষ ফাঁদ পেতে অভিযান চালানোর অনুরোধ জানান।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর দুদকের ঢাকা-১ জেলা কার্যালয়ের একটি দল একটি বিশেষ ফাঁদ পরিচালনা করে। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘুষের এক লাখ টাকা নেওয়ার সময় হাতে-নাতে ধরা পড়েন ওই সার্ভেয়ার। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করার পাশাপাশি তাকে আদালতে পাঠানোর আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয়

মানুষ, প্রাণী ও প্রকৃতি: গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে ওয়ান হেলথের গুরুত্ব

লাখ টাকার ঘুষসহ সার্ভেয়ার আটক

প্রকাশিত ০১:২২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: জমির সীমানা নির্ধারণ এবং নামজারির কাজ করে দেওয়ার শর্তে এক লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম নামের এক সার্ভেয়ারকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা ঢাকার লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এই আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে মোট ৮০ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল।

ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক মো. মনিরুল ইসলাম চর-কামরাঙ্গী মৌজার ২৮২ শতাংশ জমির সীমানা নির্ধারণ ও স্কেচম্যাপ তৈরির জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছিলেন। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের দপ্তরে যোগাযোগ করেও তিনি ওই জমির কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি। পরবর্তীতে তাকে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার আসাদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

যোগাযোগের পর সার্ভেয়ার আসাদুল ইসলাম ওই জমির যাবতীয় কাজ দ্রুত শেষ করে দেওয়ার জন্য ৮০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এই অস্বাভাবিক ঘুষের দাবির বিষয়টি মানতে না পেরে অভিযোগকারী দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইকারী সংস্থা দুদকের শরণাপন্ন হন। তিনি সংস্থাকে পুরো বিষয়টি অবহিত করে ওই কর্মকর্তাকে ধরতে একটি বিশেষ ফাঁদ পেতে অভিযান চালানোর অনুরোধ জানান।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর দুদকের ঢাকা-১ জেলা কার্যালয়ের একটি দল একটি বিশেষ ফাঁদ পরিচালনা করে। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘুষের এক লাখ টাকা নেওয়ার সময় হাতে-নাতে ধরা পড়েন ওই সার্ভেয়ার। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করার পাশাপাশি তাকে আদালতে পাঠানোর আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।