ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পম্পেইয়ের ধ্বংসাবশেষে ২ হাজার বছরের ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন Logo দিশার আরও ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ Logo শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক Logo উদয়ন স্কুলে ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo তারেক রহমান- লিউ হাইশিং সাক্ষাৎ: উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সমর্থন ‘অব্যাহত থাকার’ বার্তা চীনের Logo নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান সুবহানী Logo এবার সম্পূর্ণ গল্প নিয়ে ফিরছে ‘ফেউ’ সিরিজ Logo তীব্র তাপপ্রবাহ: অনাগত প্রজন্মের জন্য নীরব বিপদ Logo সামিট এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাস সরবরাহ কমেছে ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট Logo মিরপুরের সড়কে শ্রমিক নেই, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার

তারেক রহমান- লিউ হাইশিং সাক্ষাৎ: উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সমর্থন ‘অব্যাহত থাকার’ বার্তা চীনের

রাজনীতি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সচিবালয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসা চীনা এই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চীনের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। উভয় পক্ষই দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বৈঠকে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এবং ঢাকুস্থ চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের সম্ভাবনার ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন চীনা মন্ত্রী লিউ হাইশিং। তিনি জানান, বেইজিং সফরের সময় দুই দেশের ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের যে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তার আলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলেই মূলত বাংলাদেশ ও চীনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষির উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধানে চীনের জোরালো সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ১৩ লাখ রোহিঙ্গার দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশের ওপর সৃষ্ট মারাত্মক চাপের বিষয়টি চীনা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। জবাবে লিউ হাইশিং জানান যে, রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে চীন অবগত রয়েছে এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বেগের বিষয়টি তাদের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হবে। এছাড়া আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও চীন তাদের জোরালো সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

উভয় পক্ষই বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যকার দলীয় যোগাযোগ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে। দুই দলের সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করতে বিএনপির মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলকে চীন সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পরিশেষে, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের এই অংশীদারিত্ব ও অঙ্গীকার ভবিষ্যতে আরও বেশি শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

জনপ্রিয়

পম্পেইয়ের ধ্বংসাবশেষে ২ হাজার বছরের ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন

তারেক রহমান- লিউ হাইশিং সাক্ষাৎ: উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সমর্থন ‘অব্যাহত থাকার’ বার্তা চীনের

প্রকাশিত ০৩:০৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সচিবালয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসা চীনা এই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চীনের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। উভয় পক্ষই দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বৈঠকে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এবং ঢাকুস্থ চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের সম্ভাবনার ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন চীনা মন্ত্রী লিউ হাইশিং। তিনি জানান, বেইজিং সফরের সময় দুই দেশের ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের যে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তার আলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলেই মূলত বাংলাদেশ ও চীনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষির উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধানে চীনের জোরালো সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ১৩ লাখ রোহিঙ্গার দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশের ওপর সৃষ্ট মারাত্মক চাপের বিষয়টি চীনা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। জবাবে লিউ হাইশিং জানান যে, রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে চীন অবগত রয়েছে এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বেগের বিষয়টি তাদের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হবে। এছাড়া আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও চীন তাদের জোরালো সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

উভয় পক্ষই বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যকার দলীয় যোগাযোগ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে। দুই দলের সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করতে বিএনপির মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলকে চীন সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পরিশেষে, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের এই অংশীদারিত্ব ও অঙ্গীকার ভবিষ্যতে আরও বেশি শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।