ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তারেক রহমান- লিউ হাইশিং সাক্ষাৎ: উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সমর্থন ‘অব্যাহত থাকার’ বার্তা চীনের Logo নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান সুবহানী Logo এবার সম্পূর্ণ গল্প নিয়ে ফিরছে ‘ফেউ’ সিরিজ Logo তীব্র তাপপ্রবাহ: অনাগত প্রজন্মের জন্য নীরব বিপদ Logo সামিট এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাস সরবরাহ কমেছে ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট Logo মিরপুরের সড়কে শ্রমিক নেই, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার Logo রোদের ছোঁয়ায় সুস্থ দীর্ঘায়ু Logo কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়জয়কার, অভিনন্দন ট্রাম্পের Logo আইনি লড়াই শেষে হামট্রামকের মেয়র হচ্ছেন বাংলাদেশি মুহিত মাহমুদ Logo ঘুরে বেড়ানো ও কাপড় ভাঁজ করার রোবট নিয়ে কাজ করছে অ্যাপল

সামিট এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাস সরবরাহ কমেছে ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট

জাতীয় ডেস্ক: রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় বর্তমানে দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট কমে গেছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী গত বুধবার সকাল আটটা থেকে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হয়। পেট্রোবাংলার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী এই কাজ আগামী সাত নভেম্বর বিকেল চারটা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় তিন হাজার আটশ মিলিয়ন ঘনফুট। এতদিন দেশীয় উৎস ও আমদানিকৃত এলএনজি মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন দুই হাজার পাঁচশ সত্তর মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো। সামিট টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এই সরবরাহ দুই হাজার দুইশ পঞ্চাশ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসার আশঙ্কা করা হয়েছিল। বিশেষ করে আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহ নয়শ কুড়ি মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ছয়শ মিলিয়ন ঘনফুট হওয়ার কথা ছিল।

তবে কার্যক্রম শুরুর পর দেখা গেছে প্রকৃত সরবরাহ পূর্বাভাসের চেয়েও কম। গত বুধবার সকাল দশটায় জাতীয় গ্রিডে মোট দুই হাজার উনআশি মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে দেশীয় ক্ষেত্র থেকে এক হাজার পাঁচশ পঁয়ষট্টি মিলিয়ন এবং আমদানিকৃত এলএনজি থেকে পাঁচশ চৌদ্দ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া গেছে। ওই সময়ে মোট সরবরাহ পেট্রোবাংলার অনুমানের চেয়েও একাত্তর মিলিয়ন ঘনফুট কম ছিল।

এদিকে চার দিন দেশব্যাপী গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে মর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়। পেট্রোবাংলা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যকে সম্পূর্ণ গুজব ও আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা বলে অভিহিত করে। সংস্থাটি জানায়, রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে। জনসাধারণের প্রতি এসব বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, মহেশখালীতে আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। যার একটি সামিট গ্রুপ এবং অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালনা করে থাকে। সামিট টার্মিনালের দৈনিক সক্ষমতা পাঁচশ মিলিয়ন এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ছয়শ মিলিয়ন ঘনফুট। এর আগেও বিভিন্ন সময় কারিগরি সমস্যা কিংবা রক্ষণাবেক্ষণের কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল।

জনপ্রিয়

তারেক রহমান- লিউ হাইশিং সাক্ষাৎ: উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সমর্থন ‘অব্যাহত থাকার’ বার্তা চীনের

সামিট এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাস সরবরাহ কমেছে ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট

প্রকাশিত ০২:০৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় বর্তমানে দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট কমে গেছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী গত বুধবার সকাল আটটা থেকে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হয়। পেট্রোবাংলার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী এই কাজ আগামী সাত নভেম্বর বিকেল চারটা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় তিন হাজার আটশ মিলিয়ন ঘনফুট। এতদিন দেশীয় উৎস ও আমদানিকৃত এলএনজি মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন দুই হাজার পাঁচশ সত্তর মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো। সামিট টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এই সরবরাহ দুই হাজার দুইশ পঞ্চাশ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসার আশঙ্কা করা হয়েছিল। বিশেষ করে আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহ নয়শ কুড়ি মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ছয়শ মিলিয়ন ঘনফুট হওয়ার কথা ছিল।

তবে কার্যক্রম শুরুর পর দেখা গেছে প্রকৃত সরবরাহ পূর্বাভাসের চেয়েও কম। গত বুধবার সকাল দশটায় জাতীয় গ্রিডে মোট দুই হাজার উনআশি মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে দেশীয় ক্ষেত্র থেকে এক হাজার পাঁচশ পঁয়ষট্টি মিলিয়ন এবং আমদানিকৃত এলএনজি থেকে পাঁচশ চৌদ্দ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া গেছে। ওই সময়ে মোট সরবরাহ পেট্রোবাংলার অনুমানের চেয়েও একাত্তর মিলিয়ন ঘনফুট কম ছিল।

এদিকে চার দিন দেশব্যাপী গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে মর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়। পেট্রোবাংলা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যকে সম্পূর্ণ গুজব ও আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা বলে অভিহিত করে। সংস্থাটি জানায়, রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে। জনসাধারণের প্রতি এসব বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, মহেশখালীতে আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। যার একটি সামিট গ্রুপ এবং অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালনা করে থাকে। সামিট টার্মিনালের দৈনিক সক্ষমতা পাঁচশ মিলিয়ন এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ছয়শ মিলিয়ন ঘনফুট। এর আগেও বিভিন্ন সময় কারিগরি সমস্যা কিংবা রক্ষণাবেক্ষণের কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল।