ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ছেলের উপর হামলার ঘটনায় মামলা না নেওয়ায় ক্ষোভ আখতারুজ্জামানের, আটক ১ Logo বিচারহীনতার দশ বছর: সাঁওতালদের ভিটা বাগদাফার্মে কার স্বার্থে ইপিজেড? Logo গার্হস্থ্য অর্থনীতির অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে গভীর রাতে বিক্ষোভ Logo নতুন রাজনৈতিক দল গড়ার ইঙ্গিত সামান্তার Logo নোবিপ্রবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে সাপের কামড় প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন Logo জাবির সিএলসি ইনস্টিটিউটে পরিচালক নিয়োগ: ‘স্বার্থের দ্বন্দ্ব’ ও শিক্ষক পদের দেনদরবারের অভিযোগ! Logo ট্রাম্পের চোখে ‘যুদ্ধের নায়ক’, তবুও নির্বাচনে পরাজয়ের ‘বলির পাঁঠা’ হেগসেথ? Logo ঢামেকে চীনা চিকিৎসক দলের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের সমাপনী Logo ‘স্বস্তি পেলাম’, কফি উইথ করণ শেষে কারিনার প্রতিক্রিয়া Logo কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভালে টিকেটিং পার্টনার টিকিফাই

ছেলের উপর হামলার ঘটনায় মামলা না নেওয়ায় ক্ষোভ আখতারুজ্জামানের, আটক ১

অপরাধ ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পূর্ববিরোধ ও সহিংসতার জেরে জামায়াতে ইসলামী নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বড় ছেলেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে উপজেলার গচিহাটা বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে এবং এতে গুরুতর আহত হন শাহরিয়ার জামান নামের ওই যুবক। স্থানীয় লোকজন তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকা আহত শাহরিয়ার বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।

এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের নিয়ে পুলিশ প্রশাসন ও ভুক্তভোগী নেতার মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। হামলার পরদিন ফেসবুকে লাইভে এসে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান রঞ্জন অভিযোগ করেন যে পুলিশ আসামিদের বাঁচাতে মামলা গ্রহণ করছে না। তিনি জানান, মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দিলেও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা আমলে নেননি। এতে করে জনমনে নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে এবং রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আখতারুজ্জামানের আনা মামলা না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ওই পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় পর্যায়ে এই ধরনের সহিংস ঘটনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

ছেলের উপর হামলার ঘটনায় মামলা না নেওয়ায় ক্ষোভ আখতারুজ্জামানের, আটক ১

ছেলের উপর হামলার ঘটনায় মামলা না নেওয়ায় ক্ষোভ আখতারুজ্জামানের, আটক ১

প্রকাশিত ০৮:৫২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পূর্ববিরোধ ও সহিংসতার জেরে জামায়াতে ইসলামী নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বড় ছেলেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে উপজেলার গচিহাটা বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে এবং এতে গুরুতর আহত হন শাহরিয়ার জামান নামের ওই যুবক। স্থানীয় লোকজন তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকা আহত শাহরিয়ার বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।

এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের নিয়ে পুলিশ প্রশাসন ও ভুক্তভোগী নেতার মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। হামলার পরদিন ফেসবুকে লাইভে এসে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান রঞ্জন অভিযোগ করেন যে পুলিশ আসামিদের বাঁচাতে মামলা গ্রহণ করছে না। তিনি জানান, মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দিলেও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা আমলে নেননি। এতে করে জনমনে নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে এবং রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আখতারুজ্জামানের আনা মামলা না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ওই পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় পর্যায়ে এই ধরনের সহিংস ঘটনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।