ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

বিএনপির শোভাযাত্রা যেসব সড়কে, অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পরিবর্তিত হয়েছিল। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের অংশ হিসেবে দলটি ৫ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সাত দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দলের পক্ষ থেকে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর বিকেলে নয়াপল্টনে আয়োজিত শোভাযাত্রার শুভ সূচনা করবেন তিনি। শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে সমাপ্ত হবে।

কেন্দ্রীয় এই কর্মসূচি সফল করতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব এসএম জাহাঙ্গীর এবং দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি এই র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন। নেতার সরাসরি অংশগ্রহণে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

এর আগে সকালে নয়াপল্টনসহ দেশের সব দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া রাজধানী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে অনুরূপ র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই দিনটিকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বাণীতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

জনপ্রিয়

নিন্দার কাঁটা থেকে সেঞ্চুরির ফুল

বিএনপির শোভাযাত্রা যেসব সড়কে, অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৯:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পরিবর্তিত হয়েছিল। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের অংশ হিসেবে দলটি ৫ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সাত দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দলের পক্ষ থেকে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর বিকেলে নয়াপল্টনে আয়োজিত শোভাযাত্রার শুভ সূচনা করবেন তিনি। শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে সমাপ্ত হবে।

কেন্দ্রীয় এই কর্মসূচি সফল করতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব এসএম জাহাঙ্গীর এবং দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি এই র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন। নেতার সরাসরি অংশগ্রহণে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

এর আগে সকালে নয়াপল্টনসহ দেশের সব দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া রাজধানী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে অনুরূপ র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই দিনটিকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বাণীতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।