ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

অবিস্মরণীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস হৃদয়ের, ছাড়ালেন মুশফিককে

খেলা ডেস্ক: সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। দলের নিয়মিত উইকেটের পতনের মধ্যেও এক প্রান্ত আগলে রেখে ধৈর্য ও দৃঢ়তার এক অসাধারণ ইনিংস খেলেন তিনি। জোমেল ওয়ারিকনের বল মিড-অনে ঠেলে দিয়ে ৩০৪ বলে নিজের ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ক্রিকেটার। তার এই ঐতিহাসিক ইনিংসে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে যুক্ত হলো ষষ্ঠ ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি।

এর আগে টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডটি ছিল মুশফিকুর রহিমের দখলে, যিনি ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত ২১৯ রান করেছিলেন। সিলেটে মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের পর চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করার পাশাপাশি সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন হৃদয়। ইনিংসের শুরুতে ২২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে দল চাপে পড়লেও তিনি দারুণভাবে দলের ইনিংস মেরামত করেন।

ব্যক্তিগত রানের পাশাপাশি বাউন্ডারির দিক থেকেও নতুন রেকর্ড গড়েছেন হৃদয়। এই ইনিংসে তিনি ২২টি চার ও ১০টি ছক্কা হাঁকিয়ে বাউন্ডারি থেকে একাই ১৪৮ রান সংগ্রহ করেছেন, যা দেশের ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাউন্ডারি থেকে ১২৪ রান করেছিলেন সাকিব আল হাসান এবং ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ সাতটি ছক্কা মেরেছিলেন তামিম ইকবাল। পাঁজরে বলের আঘাত পাওয়ার পরও তিনি শেষ দিকের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে দলের ইনিংস এগিয়ে নেন।

ইনিংসের বিভিন্ন পর্যায়ে লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের বিদায় দেখলেও হৃদয় নিজের লড়াই চালিয়ে যান এবং তাইজুল ইসলামের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। তার এই অসামান্য ব্যাটিংয়ের সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এগিয়ে থেকে লিডও অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল। প্রথম ইনিংসে ১০১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় আট উইকেটে ৩৭৬ রান, যেখানে ২৩৬ রান নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন হৃদয়।

জনপ্রিয়

নারীর সাফল্যের নেপথ্যের গল্প নিয়ে আসছে নতুন পডকাস্ট

অবিস্মরণীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস হৃদয়ের, ছাড়ালেন মুশফিককে

প্রকাশিত ০৪:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। দলের নিয়মিত উইকেটের পতনের মধ্যেও এক প্রান্ত আগলে রেখে ধৈর্য ও দৃঢ়তার এক অসাধারণ ইনিংস খেলেন তিনি। জোমেল ওয়ারিকনের বল মিড-অনে ঠেলে দিয়ে ৩০৪ বলে নিজের ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ক্রিকেটার। তার এই ঐতিহাসিক ইনিংসে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে যুক্ত হলো ষষ্ঠ ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি।

এর আগে টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডটি ছিল মুশফিকুর রহিমের দখলে, যিনি ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত ২১৯ রান করেছিলেন। সিলেটে মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের পর চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করার পাশাপাশি সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন হৃদয়। ইনিংসের শুরুতে ২২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে দল চাপে পড়লেও তিনি দারুণভাবে দলের ইনিংস মেরামত করেন।

ব্যক্তিগত রানের পাশাপাশি বাউন্ডারির দিক থেকেও নতুন রেকর্ড গড়েছেন হৃদয়। এই ইনিংসে তিনি ২২টি চার ও ১০টি ছক্কা হাঁকিয়ে বাউন্ডারি থেকে একাই ১৪৮ রান সংগ্রহ করেছেন, যা দেশের ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাউন্ডারি থেকে ১২৪ রান করেছিলেন সাকিব আল হাসান এবং ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ সাতটি ছক্কা মেরেছিলেন তামিম ইকবাল। পাঁজরে বলের আঘাত পাওয়ার পরও তিনি শেষ দিকের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে দলের ইনিংস এগিয়ে নেন।

ইনিংসের বিভিন্ন পর্যায়ে লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের বিদায় দেখলেও হৃদয় নিজের লড়াই চালিয়ে যান এবং তাইজুল ইসলামের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। তার এই অসামান্য ব্যাটিংয়ের সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এগিয়ে থেকে লিডও অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল। প্রথম ইনিংসে ১০১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় আট উইকেটে ৩৭৬ রান, যেখানে ২৩৬ রান নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন হৃদয়।