ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইবিতে নবীন বরণে টানা ৮ ঘণ্টা ডিউটি! তবুও সম্মানী বঞ্চিত বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট Logo দুবাইয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বেনজীর Logo জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে আইটিইটি’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সুজুকি বাইক ক্রেতাদের বীমা সুরক্ষায় মেটলাইফ ও র‍্যানকন মোটর বাইকস লিমিটেড এর চুক্তি Logo তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ Logo বাকৃবিতে ২২ জন শিশু পেলো কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন বৃত্তির সনদপত্র Logo বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ Logo ৩ আগস্ট ববিতে আসছেন মুফতি ফয়জুল করীম Logo গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

যবিপ্রবির প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর ও প্রধান ফটক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০৮:৪০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৩৩ বার পঠিত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) স্থাপিত প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর সংস্কার ও প্রধান ফটকে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তারা চার দফা দাবিতে উপচার্য বরাবর স্মারকলিপি ও প্রদান করেন। তবে প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর সংস্কার ও প্রধানফটকে স্থাপনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডে ইতোমধ্যে পাশ হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ।

বুধবার (১৩ ই আগস্ট) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। পরে মানববন্ধন শেষে যবিপ্রবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বরাবর চার দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করে।

মানববন্ধন ও স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক যবিপ্রবি’র প্রথম স্থাপিত ভিত্তি প্রস্তরটি সঠিকভাবে মেরামত ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে,  প্রধান ফটকে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে স্থাপন করতে হবে। ভিত্তিপ্রস্তর ভাঙ্গার সাথে জড়িতদের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরতে হবে।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, আমাদের দাবিগুলো প্রশাসন ইতোমধ্যে রিজেন্ট বোর্ডে পাশ করানোর কথা বলেছেন। এজন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবিগুলো বাস্তবে রুপ নিবে।

প্রথম ভিত্তি প্রস্তর ও প্রধান ফটকের ইতিহাসের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে যবিপ্রবির জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আব্দুস সামাদ রানা বলেন, যবিপ্রবির রূপকার ছিলেন বৃহত্তর যশোর জেলার উন্নয়নের কারিগর, সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলাম চাচা। তারই প্রেক্ষিতে ২০০৬ সালের ৫ই অক্টোবর তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যবিপ্রবির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং সেসময় ভিত্তিপ্রস্তরের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের স্থান নির্ধারণ হয় বলে জানতে পারি। কিন্তু সরকার পরিবর্তন হলে তৎকালিন ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার স্যার প্রধান ফটকের স্থান পরিবর্তন করে এবং পরবর্তীতে তৎকালীন প্রশাসনের ইন্দনে কিছু কর্মচারীসহ ছাত্রলীগের কতিপয় নেতা-কর্মী ভিত্তিপ্রস্তরটি ভাংচুর করে ইতিহাস মুছে দেয়ার অপচেষ্টা করে। আমরা এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আন্দোলন করতে গেলে একাডেমিক রেজাল্ট ও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে  চুপ করিয়ে দেয় প্রশাসন। সর্বোপরি ভিত্তিপ্রস্তরটি অতি দ্রুত মেরামত করে প্রধান ফটকের সামনে স্থানান্তরের জোর দাবি জানাই। এছাড়া নবীন শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে তার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

জনপ্রিয়

ইবিতে নবীন বরণে টানা ৮ ঘণ্টা ডিউটি! তবুও সম্মানী বঞ্চিত বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট

যবিপ্রবির প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর ও প্রধান ফটক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত ০৮:৪০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) স্থাপিত প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর সংস্কার ও প্রধান ফটকে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তারা চার দফা দাবিতে উপচার্য বরাবর স্মারকলিপি ও প্রদান করেন। তবে প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর সংস্কার ও প্রধানফটকে স্থাপনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডে ইতোমধ্যে পাশ হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ।

বুধবার (১৩ ই আগস্ট) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। পরে মানববন্ধন শেষে যবিপ্রবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বরাবর চার দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করে।

মানববন্ধন ও স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক যবিপ্রবি’র প্রথম স্থাপিত ভিত্তি প্রস্তরটি সঠিকভাবে মেরামত ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে,  প্রধান ফটকে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে স্থাপন করতে হবে। ভিত্তিপ্রস্তর ভাঙ্গার সাথে জড়িতদের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরতে হবে।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, আমাদের দাবিগুলো প্রশাসন ইতোমধ্যে রিজেন্ট বোর্ডে পাশ করানোর কথা বলেছেন। এজন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবিগুলো বাস্তবে রুপ নিবে।

প্রথম ভিত্তি প্রস্তর ও প্রধান ফটকের ইতিহাসের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে যবিপ্রবির জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আব্দুস সামাদ রানা বলেন, যবিপ্রবির রূপকার ছিলেন বৃহত্তর যশোর জেলার উন্নয়নের কারিগর, সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলাম চাচা। তারই প্রেক্ষিতে ২০০৬ সালের ৫ই অক্টোবর তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যবিপ্রবির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং সেসময় ভিত্তিপ্রস্তরের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের স্থান নির্ধারণ হয় বলে জানতে পারি। কিন্তু সরকার পরিবর্তন হলে তৎকালিন ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার স্যার প্রধান ফটকের স্থান পরিবর্তন করে এবং পরবর্তীতে তৎকালীন প্রশাসনের ইন্দনে কিছু কর্মচারীসহ ছাত্রলীগের কতিপয় নেতা-কর্মী ভিত্তিপ্রস্তরটি ভাংচুর করে ইতিহাস মুছে দেয়ার অপচেষ্টা করে। আমরা এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আন্দোলন করতে গেলে একাডেমিক রেজাল্ট ও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে  চুপ করিয়ে দেয় প্রশাসন। সর্বোপরি ভিত্তিপ্রস্তরটি অতি দ্রুত মেরামত করে প্রধান ফটকের সামনে স্থানান্তরের জোর দাবি জানাই। এছাড়া নবীন শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে তার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।