ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার Logo শুধু নিয়ন্ত্রন নয়, ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায় ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব  Logo নির্বাচনকালীন গুজব ও অপপ্রচার মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পিআইবির প্রশিক্ষণ Logo ইউনিলিভার, যুক্তরাজ্য সরকার ও ইওয়াই-এর যৌথ উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন

দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান: চাকরিচ্যুত ইবির আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. জহুরুল

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৩:৫২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৫৬ বার পঠিত

বিনা অনুমতিতে দীর্ঘ অনুপস্থিতির অভিযোগে চাকরিচ্যুত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম। শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এ সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্যটি জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম ২০২৪ সালের ২১আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে উক্ত বিভাগে অনুপস্থিত থাকেন। তার এই অনুপস্থিতির বিষয়ে একই বছরের ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত শিক্ষাছুটি সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির ১৯৭ তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে অফিস স্মারক নং-১২৬/শিক্ষা/হবি-২০২৪/৬৬, তারিখ-০৩/১১/২০২৪ সম্বলিত পত্রে আগামী ০১ মাসের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলে তিনি যোগদান না করে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলাম কর্মস্থলে যোগদান না করায় তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তের জন্য ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৬৭তম (সাধারণ) সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার বিরুদ্ধে কি ধরণের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে সে বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী অপরাধের মাত্রা নির্ধারণপূর্বক শান্তির ধরণ উল্লেখ করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

উক্ত তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৭০তম (সাধারণ) সভার ২৪নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ৩ (জ) ধারা মোতাবেক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ৪ (১)(গ) ধারা মোতাবেক গত ২১/০৮/২০২৪ তারিখ থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরী হতে তাকে অপসারণ (Removal from Service) করা হলো।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলামের দাবি, “স্ট্যান্ডিং কমিটির সিদ্ধান্ত বা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের আলোকে তাকে যোগদানের জন্য কোন পত্র বা শোকজ করা হয় নি।”

তিনি বলেন, “আমি নিজেও জানি না কোন কারণে অনুমতিবিহীন ছুটি বলছে। আমি ৫ বছরের লিভ বন্ড দিয়ে গবেষণার জন্য ইউএসেতে আসলাম। ১ বছর ছুটি ভোগের পর দ্বিতীয় বছরের ৩ মাস অতিক্রান্ত হলে বেআইনীভাবে প্রশাসন আমাকে ৩/১১/২০২৪ তারিখে ছুটি বাতিল করে যোগদান করতে বলে। আমি পুনরায় দরখাস্ত করলে সে বিষয়ে ১৮/৩/২০২৫ তারিখে চিঠি পাই যে, আমার ছুটির আবেদন মঞ্জুর হয় নি এবং তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় বা তদন্ত কমিটি আমাকে কিছুই জানায় নি। আমি আশা করেছিলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে চিঠি দিবে এবং যুক্তিসঙ্গত সময় দিবে। পরবর্তীতে ২৮/০৮/২০২৫ তারিখে পুনঃবিবেচনার আবেদন দেই এবং ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে ছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেটা বিবেচনা করেন নি। আমি এখন পর্যন্তও ইউএসেতে শিক্ষা ও গবেষণায় কর্মরত রয়েছি।”

জনপ্রিয়

১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার 

দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান: চাকরিচ্যুত ইবির আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. জহুরুল

প্রকাশিত ০৩:৫২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিনা অনুমতিতে দীর্ঘ অনুপস্থিতির অভিযোগে চাকরিচ্যুত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম। শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এ সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্যটি জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম ২০২৪ সালের ২১আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে উক্ত বিভাগে অনুপস্থিত থাকেন। তার এই অনুপস্থিতির বিষয়ে একই বছরের ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত শিক্ষাছুটি সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির ১৯৭ তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে অফিস স্মারক নং-১২৬/শিক্ষা/হবি-২০২৪/৬৬, তারিখ-০৩/১১/২০২৪ সম্বলিত পত্রে আগামী ০১ মাসের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলে তিনি যোগদান না করে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলাম কর্মস্থলে যোগদান না করায় তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তের জন্য ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৬৭তম (সাধারণ) সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার বিরুদ্ধে কি ধরণের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে সে বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী অপরাধের মাত্রা নির্ধারণপূর্বক শান্তির ধরণ উল্লেখ করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

উক্ত তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৭০তম (সাধারণ) সভার ২৪নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ৩ (জ) ধারা মোতাবেক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ৪ (১)(গ) ধারা মোতাবেক গত ২১/০৮/২০২৪ তারিখ থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরী হতে তাকে অপসারণ (Removal from Service) করা হলো।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলামের দাবি, “স্ট্যান্ডিং কমিটির সিদ্ধান্ত বা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের আলোকে তাকে যোগদানের জন্য কোন পত্র বা শোকজ করা হয় নি।”

তিনি বলেন, “আমি নিজেও জানি না কোন কারণে অনুমতিবিহীন ছুটি বলছে। আমি ৫ বছরের লিভ বন্ড দিয়ে গবেষণার জন্য ইউএসেতে আসলাম। ১ বছর ছুটি ভোগের পর দ্বিতীয় বছরের ৩ মাস অতিক্রান্ত হলে বেআইনীভাবে প্রশাসন আমাকে ৩/১১/২০২৪ তারিখে ছুটি বাতিল করে যোগদান করতে বলে। আমি পুনরায় দরখাস্ত করলে সে বিষয়ে ১৮/৩/২০২৫ তারিখে চিঠি পাই যে, আমার ছুটির আবেদন মঞ্জুর হয় নি এবং তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় বা তদন্ত কমিটি আমাকে কিছুই জানায় নি। আমি আশা করেছিলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে চিঠি দিবে এবং যুক্তিসঙ্গত সময় দিবে। পরবর্তীতে ২৮/০৮/২০২৫ তারিখে পুনঃবিবেচনার আবেদন দেই এবং ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে ছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেটা বিবেচনা করেন নি। আমি এখন পর্যন্তও ইউএসেতে শিক্ষা ও গবেষণায় কর্মরত রয়েছি।”