আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে আগামী ৩১ জানুয়ারি কুমিল্লা শহরের টাউন হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ‘বি’ ইউনিটের সকাল ১১ টায় ও ‘সি’ ইউনিটের বিকেল ৩ টায় অনুষ্ঠিত হবে।
একই দিনে রাজনৈতিক সমাবেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভর্তি পরীক্ষা হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে যানজট, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিঘ্ন ঘটতে পারে, যা পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির কারণ হতে পারে।
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরাফ ভুঁইয়া বলেন, ‘ ৩১ তারিখ ২ টি ইউনিটের পরীক্ষা। হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এর সাথে জড়িত। এই সমাবেশে পুরো কুমিল্লা জেলা এবং তার আশপাশের মানুষ আসবে। এতো বড় জনসমাগমকে উপেক্ষা করে পরিক্ষার্থীরা হলে পৌঁছাতে পারবে না। তাই বৃহত্তর স্বার্থে জামায়াতের উচিত তারিখ পরিবর্তন করা। জামায়াতের মনে রাখা উচিত ১ লাখ পরিবারের ভোট নির্বাচনী সমীকরণ পাল্টে দিতে পারে।এখন জামায়াত সমাবেশ করে বিরম্বনা সৃষ্টি করলে ভোটাররাও ভোট দেয়ার সময় ভাববে। নির্বাচনী ফায়দা হাসিলের জন্য যারা লাখো পরিবারকে বিপদে ফেলবে তারা ক্ষমতায় আসলে ভালো কিছু করবে বলে আমরা বিশ্বাস করিনা।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আগে আমি অবগত ছিলাম না। এখন বিষয়টি জানতে পেরেছি এবং সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে অবহিত করবো, যেন তারা সমাবেশের তারিখ পিছায়।’
অন্যদিকে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টি আগে আমরা জানতাম না। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা আপাতত বিকেল ৫টায় সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজকের মধ্যেই নেওয়া হবে।’



















