ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় আউটলেট চালু করলো স্বপ্ন Logo রাকসু ভিপির হুমকির প্রতিবাদে পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নিন্দা  Logo শামীম জামানের স্ত্রী আমিনা লাবিবের অভিনয়ে অভিষেক Logo ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ ফাইনাল আসর বসছে ৮ আগস্ট Logo বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর বিশেষ ব্যাংকিং সুবিধা Logo আর্থিক কেলেঙ্কারি ও স্বাক্ষর জালিয়াতিসহ নানান অভিযোগে জবিরিইউ সভাপতি জাহাঙ্গীর বহিষ্কার Logo ছাত্রী হলে গোপন ভিডিওর জের ধরে অচলাবস্থায় খুবি, জরুরি সিন্ডিকেট সভা আজ Logo পাবিপ্রবিতে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচি Logo কুবি শিক্ষক সমিতির নতুন আহ্বায়ক ড. শামীমা নাসরিন Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য শুরু হলো ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’

জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি সোচ্চার স্টুডেন্ট নেটওয়ার্কের

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ও সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সোচ্চার স্টুডেন্ট নেটওয়ার্ক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টার। একইসাথে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নিন্দা ও দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ফাইনাল ম্যাচ পরবর্তী সময়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে একাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হওয়ার ঘটনা তাদেরকে অত্যন্ত বিস্মিত ও শংকিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মননশীলতা বিকাশে অত্যন্ত অপরিহার্য বিষয়। কিন্তু এই ধরনের সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, “সোচ্চার স্টুডেন্ট নেটওয়ার্ক মনে করে, এই ঘটনার একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত অবিলম্বে প্রয়োজন। প্রকৃত দোষীদের যথাযথভাবে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়। যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের ঘটনা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ, সুনাম এবং প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।”

প্রসঙ্গত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ উভয় বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

জনপ্রিয়

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় আউটলেট চালু করলো স্বপ্ন

জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি সোচ্চার স্টুডেন্ট নেটওয়ার্কের

প্রকাশিত ০১:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ও সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সোচ্চার স্টুডেন্ট নেটওয়ার্ক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টার। একইসাথে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নিন্দা ও দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ফাইনাল ম্যাচ পরবর্তী সময়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে একাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হওয়ার ঘটনা তাদেরকে অত্যন্ত বিস্মিত ও শংকিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মননশীলতা বিকাশে অত্যন্ত অপরিহার্য বিষয়। কিন্তু এই ধরনের সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, “সোচ্চার স্টুডেন্ট নেটওয়ার্ক মনে করে, এই ঘটনার একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত অবিলম্বে প্রয়োজন। প্রকৃত দোষীদের যথাযথভাবে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়। যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের ঘটনা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ, সুনাম এবং প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।”

প্রসঙ্গত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ উভয় বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।