ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সংকট নিরসনে ববিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আলোচনা; ফলাফল শূন্য Logo জাবিতে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী নাট্য উৎসব শুরু ২৮ এপ্রিল Logo জাবিতে সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক শিক্ষার্থীর বাঁধা Logo জাবি ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে আবারও মাছি, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ Logo জাকসু নেতার খাবার কান্ডকে কেন্দ্র করে জাবিতে উত্তেজনা Logo মিটফোর্ডে অভিযানে ৩০ দালাল আটক Logo চট্টগ্রাম সিটি কলেজে শিবিরের হামলাার প্রতিবাদে জাবিতে ছাত্রদলের লিখন Logo শিবিরের গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দেয়াল লিখন Logo শিবিরেরকে ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবিতে ক্যাম্পাসে রাবি ছাত্রদলের দেয়াল লিখন  Logo চট্টগ্রামে সিটি কলেজে শিবিরের হামলার প্রতিবাদে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জাবিতে সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক শিক্ষার্থীর বাঁধা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘বাণিজ্য বার্তা’ অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক মো. আরাফাত হোসেনের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীর নাম বন্ধন কুমার মন্ডল। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর একেএম রাশিদুল আলম বরাবর লিখিত অভিযোগপত্র দিয়েছেন আরাফাত হোসেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বিকেল আনুমানিক বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে প্রক্টর অফিসের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলাম। যখন প্রক্টর স্যারকে ঘিরে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবি জানাচ্ছিল তখন আমি ভিডিও ধারণ করছিলাম। এসময় বন্ধন কুমার মন্ডল নামে শিক্ষার্থী আমাকে ভিডিও ধরনের বাধা প্রদান করে এবং ফোনে থাবা দিয়ে ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এবিষয়ে প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এবিষয়ে ভুক্তভুগী আরাফাত হোসেন বলেন, আমি আমার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলাম। বন্ধন কুমার মন্ডল ভাই আমাকে রাগান্বিত হয়ে বলে এই ভিডিও বন্ধ করো, তোমরা মিডিয়া ট্রাইল করো বলে ফোনে থাবা মারে। এই ঘটনায় আমি আমার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। আমি মনে করি এ ধরনের ঘটনা ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বাধীনতার প্রতি হুমকিস্বরূপ

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বলেন, আমি প্রক্টরের সাথে কথা বলার সময় ওই সাংবাদিক আমার মুখের উপর ক্যামেরা ধরেছিল। আমি ভেবেছি সাংবাদিকরা প্রশাসনের সাথে এক হয়ে কাজ করতেছে। একারণে তার ফোনে থাবা দিয়েছিলাম। তবে হেনস্তা করিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ.কে.এম রাশিদুল আলম বলেন, অভিযোগ পত্র পেয়েছি এবিষয়ে উপাচার্যের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।

জনপ্রিয়

সংকট নিরসনে ববিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আলোচনা; ফলাফল শূন্য

জাবিতে সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক শিক্ষার্থীর বাঁধা

প্রকাশিত ১২:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘বাণিজ্য বার্তা’ অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক মো. আরাফাত হোসেনের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীর নাম বন্ধন কুমার মন্ডল। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর একেএম রাশিদুল আলম বরাবর লিখিত অভিযোগপত্র দিয়েছেন আরাফাত হোসেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বিকেল আনুমানিক বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে প্রক্টর অফিসের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলাম। যখন প্রক্টর স্যারকে ঘিরে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবি জানাচ্ছিল তখন আমি ভিডিও ধারণ করছিলাম। এসময় বন্ধন কুমার মন্ডল নামে শিক্ষার্থী আমাকে ভিডিও ধরনের বাধা প্রদান করে এবং ফোনে থাবা দিয়ে ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এবিষয়ে প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এবিষয়ে ভুক্তভুগী আরাফাত হোসেন বলেন, আমি আমার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলাম। বন্ধন কুমার মন্ডল ভাই আমাকে রাগান্বিত হয়ে বলে এই ভিডিও বন্ধ করো, তোমরা মিডিয়া ট্রাইল করো বলে ফোনে থাবা মারে। এই ঘটনায় আমি আমার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। আমি মনে করি এ ধরনের ঘটনা ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বাধীনতার প্রতি হুমকিস্বরূপ

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বলেন, আমি প্রক্টরের সাথে কথা বলার সময় ওই সাংবাদিক আমার মুখের উপর ক্যামেরা ধরেছিল। আমি ভেবেছি সাংবাদিকরা প্রশাসনের সাথে এক হয়ে কাজ করতেছে। একারণে তার ফোনে থাবা দিয়েছিলাম। তবে হেনস্তা করিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ.কে.এম রাশিদুল আলম বলেন, অভিযোগ পত্র পেয়েছি এবিষয়ে উপাচার্যের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।