ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ Logo বেইমানির কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেনি হাসনাত-সারজিস: রাশেদ খাঁন Logo ১৭ বছরের ক্ষুধা মেটাতে বেপরোয়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান Logo বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা নিয়ে সুখবর দিল চীনা দূতাবাস Logo রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. মো. আব্দুস সোবাহান Logo ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না হলে মিলবে না রেজিস্ট্রেশন Logo বাবা ডাক্তারকে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসা পেল না কোলের শিশু Logo মুখ থুবড়ে পড়ল নারায়ণগঞ্জের দেড়শ কারখানা, নেপথ্যে কী? Logo জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে একের পর এক বই লিখছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের রুদ্র Logo বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীর সঙ্গে আইটিইটি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বগুড়ায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দুই যুবকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

বগুড়ার সোনাতলায় পারিবারিক শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নাজমুল হক এবং মোঃ বকুল ওরফে হালিমের নেতৃত্বে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক রবিউল ইসলাম শাকিল এবং তার ভাই ফরহাদুদ জামান পলাশ, মিজানুর রহমান গুরুতর লাঞ্ছিত ও আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সোনাতলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে।

‎প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বালিয়াডাঙা গ্রামে জমিজমা নিয়ে নাজমুল হক ও বকুল গ্রুপের সাথে সাংবাদিক শাকিলের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে ইতিপূর্বেও নাজমুল ও বকুল মুঠোফোনে বিভিন্ন সময় তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল।

‎ঘটনার দিন (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাংবাদিক রবিউল ইসলাম শাকিল, তার ভাই পলাশ ও মিজান সোনাতলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে বসে ছিলেন। এ সময় মূল অভিযুক্ত নাজমুল হক সাংবাদিক শাকিলের মুঠোফোনে কল করে উত্তেজিত কণ্ঠে জানতে চায়, “কোথায় তুই? তুই বলে মারবি, আয় স্টেশন আয়।” জবাবে শাকিল জানান যে তারা স্টেডিয়ামে আছেন। ফোন রাখার পরপরই পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাজমুল ও বকুলের নেতৃত্বে মাহাদী হাসানসহ ১২-১৩ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে স্টেডিয়াম মাঠে প্রবেশ করে এবং তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়, এই চক্রটি এর আগেও এই পরিবারের ওপর একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি সাংবাদিক শাকিল ও পলাশের বাবা ওমর ফারুকের ওপর প্রথম হামলা চালায় নাজমুল হক, তার বাবা মোজাম্মেল হক এবং বকুল ওরফে হালিম। এর পরদিনই (১২ জানুয়ারি) বালিয়াডাঙা গ্রামে ওমর ফারুকের পুত্র ফরহাদুদ জামান পলাশ, কন্যা তহসিনা খাতুন এবং স্ত্রী শাহিনুর বেগম গেলে তাদের ওপরও নৃশংস হামলা চালানো হয়। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।

‎পূর্বের ঘটনার কোনো সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে এই দফায় সরাসরি মাঠে নেমেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। প্রকাশ্য দিবালোকে স্টেডিয়ামের মতো জনাকীর্ণ স্থানে একজন সংবাদকর্মী ও যুবকদের ওপর এমন কাপুরুষোচিত হামলার ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। এ বিষয়ে সোনাতলা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহল এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ

বগুড়ায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দুই যুবকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

প্রকাশিত ০১:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

বগুড়ার সোনাতলায় পারিবারিক শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নাজমুল হক এবং মোঃ বকুল ওরফে হালিমের নেতৃত্বে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক রবিউল ইসলাম শাকিল এবং তার ভাই ফরহাদুদ জামান পলাশ, মিজানুর রহমান গুরুতর লাঞ্ছিত ও আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সোনাতলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে।

‎প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বালিয়াডাঙা গ্রামে জমিজমা নিয়ে নাজমুল হক ও বকুল গ্রুপের সাথে সাংবাদিক শাকিলের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে ইতিপূর্বেও নাজমুল ও বকুল মুঠোফোনে বিভিন্ন সময় তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল।

‎ঘটনার দিন (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাংবাদিক রবিউল ইসলাম শাকিল, তার ভাই পলাশ ও মিজান সোনাতলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে বসে ছিলেন। এ সময় মূল অভিযুক্ত নাজমুল হক সাংবাদিক শাকিলের মুঠোফোনে কল করে উত্তেজিত কণ্ঠে জানতে চায়, “কোথায় তুই? তুই বলে মারবি, আয় স্টেশন আয়।” জবাবে শাকিল জানান যে তারা স্টেডিয়ামে আছেন। ফোন রাখার পরপরই পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাজমুল ও বকুলের নেতৃত্বে মাহাদী হাসানসহ ১২-১৩ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে স্টেডিয়াম মাঠে প্রবেশ করে এবং তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়, এই চক্রটি এর আগেও এই পরিবারের ওপর একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি সাংবাদিক শাকিল ও পলাশের বাবা ওমর ফারুকের ওপর প্রথম হামলা চালায় নাজমুল হক, তার বাবা মোজাম্মেল হক এবং বকুল ওরফে হালিম। এর পরদিনই (১২ জানুয়ারি) বালিয়াডাঙা গ্রামে ওমর ফারুকের পুত্র ফরহাদুদ জামান পলাশ, কন্যা তহসিনা খাতুন এবং স্ত্রী শাহিনুর বেগম গেলে তাদের ওপরও নৃশংস হামলা চালানো হয়। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।

‎পূর্বের ঘটনার কোনো সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে এই দফায় সরাসরি মাঠে নেমেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। প্রকাশ্য দিবালোকে স্টেডিয়ামের মতো জনাকীর্ণ স্থানে একজন সংবাদকর্মী ও যুবকদের ওপর এমন কাপুরুষোচিত হামলার ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। এ বিষয়ে সোনাতলা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহল এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।