ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সোমবার কঠিন সময়ে পড়তে যাচ্ছে স্পেন, ঘটনা কী Logo মাদরাসা ছাত্রীকে নিয়ে উধাও শিক্ষক, অতঃপর… Logo স্টেশন মাস্টারের ওপর ব্রাজিল সমর্থকের হামলা Logo সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন আর নেই Logo ১১ বলে ফিফটি করে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বৈভব সূর্যবংশী Logo বিশ্বকাপে ব্রাজিলের রেকর্ড ভেঙ্গে নেদারল্যান্ডসের নতুন ইতিহাস Logo আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে! Logo মুখ ঢেকে কথা বলায় বিশ্বকাপে প্রথম লাল কার্ড দেখলেন মিগেল আলমিরন Logo ভিনিসিয়ুস-কুনহার নৈপুণ্যে হাইতিকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয় Logo ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় তরুণদের সঙ্গে ভিভোর দৃঢ় সংযোগ

স্কুল খোলার প্রথম দিনেই চরভদ্রাসনে দুই শিক্ষক অনুপস্থিত

ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল খোলার প্রথম দিনেই ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার করিম মৃধার ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই সহকারী শিক্ষক অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

গত রবিবার (৭ জুন) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে স্কুল খোলার প্রারম্ভিক সময়ে সহকারী শিক্ষক সুরাইয়া আক্তার ও সহকারী শিক্ষক ফারহানা আক্তারকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে গত ২২ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত টানা ১৬ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পর ৭ জুন থেকে সারাদেশে একযোগে স্কুল খোলে।

অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে করিম মৃধার ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাজেদা আক্তার জানান, ওই শিক্ষকেরা বর্তমানে এলাকায় নেই, তারা মাগুরা অঞ্চলে বেড়াতে গেছেন। তারা মুঠোফোনে ছুটি চেয়েছেন বলে প্রধান শিক্ষক দাবি করলেও স্কুল খোলার প্রথম দিন কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতার বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এমনকি ওই দুই শিক্ষকের ছুটি সংক্রান্ত কোনো লিখিত আবেদনপত্রও দেখাতে পারেননি তিনি।

এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, চাকরির বিধান অনুযায়ী স্কুল খোলার প্রথম দিন (ওপেনিং ডে) কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, “আমি অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও খোলার দিন সারাদিন অফিসে দায়িত্ব পালন করেছি, আজ ছুটিতে আছি। তবে ওই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবশ্যই নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুর রহমানও নিশ্চিত করেছেন যে, বিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, ওই দুই শিক্ষক প্রায় সময়ই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। প্রধান শিক্ষকের নিরপেক্ষতার অভাব এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান দিন দিন খারাপ হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চাকরি বিধি লঙ্ঘন করে চলা এই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও প্রশাসন যাতে দ্রুত কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেয়, সেই দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজ।

জনপ্রিয়

সোমবার কঠিন সময়ে পড়তে যাচ্ছে স্পেন, ঘটনা কী

স্কুল খোলার প্রথম দিনেই চরভদ্রাসনে দুই শিক্ষক অনুপস্থিত

প্রকাশিত ০২:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল খোলার প্রথম দিনেই ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার করিম মৃধার ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই সহকারী শিক্ষক অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

গত রবিবার (৭ জুন) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে স্কুল খোলার প্রারম্ভিক সময়ে সহকারী শিক্ষক সুরাইয়া আক্তার ও সহকারী শিক্ষক ফারহানা আক্তারকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে গত ২২ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত টানা ১৬ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পর ৭ জুন থেকে সারাদেশে একযোগে স্কুল খোলে।

অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে করিম মৃধার ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাজেদা আক্তার জানান, ওই শিক্ষকেরা বর্তমানে এলাকায় নেই, তারা মাগুরা অঞ্চলে বেড়াতে গেছেন। তারা মুঠোফোনে ছুটি চেয়েছেন বলে প্রধান শিক্ষক দাবি করলেও স্কুল খোলার প্রথম দিন কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতার বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এমনকি ওই দুই শিক্ষকের ছুটি সংক্রান্ত কোনো লিখিত আবেদনপত্রও দেখাতে পারেননি তিনি।

এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, চাকরির বিধান অনুযায়ী স্কুল খোলার প্রথম দিন (ওপেনিং ডে) কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, “আমি অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও খোলার দিন সারাদিন অফিসে দায়িত্ব পালন করেছি, আজ ছুটিতে আছি। তবে ওই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবশ্যই নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুর রহমানও নিশ্চিত করেছেন যে, বিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, ওই দুই শিক্ষক প্রায় সময়ই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। প্রধান শিক্ষকের নিরপেক্ষতার অভাব এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান দিন দিন খারাপ হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চাকরি বিধি লঙ্ঘন করে চলা এই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও প্রশাসন যাতে দ্রুত কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেয়, সেই দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজ।