পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কবি নজরুল সরকারি কলেজের উভয় সংগঠনের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জকসু নেতাদের সংঘর্ষের জেরে ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দুপুরে কবি নজরুল সরকারি কলেজের মূল ফটক থেকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় ছাত্রশিবিরের অনেক নেতাকর্মী ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ভবনের ভেতরে অবস্থান নেন, আর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ভবনের নিচে অবস্থান করেন। ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় কবি নজরুল সরকারি কলেজের উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহত কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক সদস্য মো. নাহিদ সুমন বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসী ও সমকামী সংগঠন ছাত্রশিবির কর্তৃক ছাত্রদলের উপর অমানবিক হামলার প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ন্যাশনাল মেডিকেল হাসপাতালের সামনে গেলে সেখানে ঘাপটি মেরে থাকা ছাত্রশিবির আমাদের উপর ইট পাটকেল ও ডাবের খোসা নিক্ষেপ করলে আমিসহ অনেকে প্রতিরোধ করতে গেলে একপর্যায়ে আমার চোখে ইট লেগে আমি আহত হই। এই অতর্কিত হামলা প্রমাণ করে তারা ক্যাম্পাসে শান্তি চায়না শৃংখলা চায়না।
কবি নজরুল সরকারি কলেজ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুর রহমান বলেন, দুপুরে কলেজ গেটের বাইরে সাবেক সভাপতি বায়জিদ মাহমুদের সঙ্গে কথা বলার সময় সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক হুজায়ফাও সেখানে আসেন। এ সময় কবি নজরুল ও সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তাদের মূল লক্ষ্য ছিলেন বায়জিদ মাহমুদ, হুজায়ফা ও আমি। পরে আহত অবস্থায় ন্যাশনাল মেডিকেলে গেলে সেখানেও হামলার ঘটনা ঘটে, এতে জিহাদ, আসাদ, কামরুলসহ আরও কয়েকজন আহত হন।
কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানান কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক ইরফান আহমদ ফাহিম।





























