প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এখন নির্বাচিত সরকারকে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরের মতো উগ্রবাদী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে যান নুরুল হক। পরে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
নুরুল হক বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। ১৯৭১ সালে এর চেয়েও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এসবের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তাই তাদেরও নিষিদ্ধ করা দরকার। জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ না করলে দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ জানিয়েছে, আল-কায়েদা বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। জামায়াত-শিবিরের মাধ্যমে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হতে পারে।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জামায়াত-শিবির মজলুম অবস্থায় থাকলেও গত ৬ মাসে তারা জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। জামায়াত-শিবির অস্ত্র পরিচালনায় সক্ষম ক্যাডার তৈরি করেছে। এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে এখনই প্রতিরোধ করতে হবে। তা না হলে তারা ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ে সমাজ ও দেশের জন্য ক্ষতি করতে পারে।
তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখলে নিতে চায়। এসব প্রতিষ্ঠানে তাদের লোকজনকে শেয়ার দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রকৃতপক্ষে তারা ক্ষমতার ভাগ-বাঁটোয়ারা চায়। তাদের কোনোভাবেই সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না।































