ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক মাইগ্রেশনের পক্ষে ৮৬.৪% শিক্ষার্থী Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মাইগ্রেশনের পক্ষে কবি নজরুল কলেজের ৯৬.৭ শতাংশ শিক্ষার্থী Logo বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo মির্জা ফখরুলকে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানালেন অলি আহমদ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, গণনা শুরু Logo প্রয়োজনে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে: নুর Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo তাসনিম জারার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন Logo ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু Logo বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

প্রয়োজনে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে: নুর

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এখন নির্বাচিত সরকারকে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরের মতো উগ্রবাদী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে যান নুরুল হক। পরে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

নুরুল হক বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। ১৯৭১ সালে এর চেয়েও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এসবের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তাই তাদেরও নিষিদ্ধ করা দরকার। জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ না করলে দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়তে পারে।

 

তিনি বলেন, জাতিসংঘ জানিয়েছে, আল-কায়েদা বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। জামায়াত-শিবিরের মাধ্যমে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হতে পারে।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জামায়াত-শিবির মজলুম অবস্থায় থাকলেও গত ৬ মাসে তারা জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। জামায়াত-শিবির অস্ত্র পরিচালনায় সক্ষম ক্যাডার তৈরি করেছে। এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে এখনই প্রতিরোধ করতে হবে। তা না হলে তারা ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ে সমাজ ও দেশের জন্য ক্ষতি করতে পারে।

তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখলে নিতে চায়। এসব প্রতিষ্ঠানে তাদের লোকজনকে শেয়ার দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রকৃতপক্ষে তারা ক্ষমতার ভাগ-বাঁটোয়ারা চায়। তাদের কোনোভাবেই সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না।

জনপ্রিয়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক মাইগ্রেশনের পক্ষে ৮৬.৪% শিক্ষার্থী

প্রয়োজনে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে: নুর

প্রকাশিত ০৫:১০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এখন নির্বাচিত সরকারকে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করে জামায়াত-শিবিরের মতো উগ্রবাদী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে যান নুরুল হক। পরে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

নুরুল হক বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। ১৯৭১ সালে এর চেয়েও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এসবের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তাই তাদেরও নিষিদ্ধ করা দরকার। জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ না করলে দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়তে পারে।

 

তিনি বলেন, জাতিসংঘ জানিয়েছে, আল-কায়েদা বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। জামায়াত-শিবিরের মাধ্যমে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হতে পারে।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জামায়াত-শিবির মজলুম অবস্থায় থাকলেও গত ৬ মাসে তারা জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। জামায়াত-শিবির অস্ত্র পরিচালনায় সক্ষম ক্যাডার তৈরি করেছে। এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে এখনই প্রতিরোধ করতে হবে। তা না হলে তারা ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ে সমাজ ও দেশের জন্য ক্ষতি করতে পারে।

তিনি বলেন, জামায়াত ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখলে নিতে চায়। এসব প্রতিষ্ঠানে তাদের লোকজনকে শেয়ার দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রকৃতপক্ষে তারা ক্ষমতার ভাগ-বাঁটোয়ারা চায়। তাদের কোনোভাবেই সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না।