ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক মাইগ্রেশনের পক্ষে ৮৬.৪% শিক্ষার্থী Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মাইগ্রেশনের পক্ষে কবি নজরুল কলেজের ৯৬.৭ শতাংশ শিক্ষার্থী Logo বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo মির্জা ফখরুলকে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানালেন অলি আহমদ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, গণনা শুরু Logo প্রয়োজনে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে: নুর Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo তাসনিম জারার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন Logo ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু Logo বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মাইগ্রেশনের পক্ষে কবি নজরুল কলেজের ৯৬.৭ শতাংশ শিক্ষার্থী

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মাইগ্রেশনের পক্ষে কবি নজরুল কলেজের ৯৬.৭ শতাংশ শিক্ষার্থী

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনস্থ রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের একাডেমিক মাইগ্রেশন প্রক্রিয়ায় অভূতপূর্ব সমর্থন জানিয়েছেন কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া অনলাইন মতামত গ্রহণে কলেজটির অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেকর্ড ৯৬.৭ শতাংশই মাইগ্রেশনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ সূচক ভোট দিয়েছেন।

গত ১৭ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে ২০ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এই অনলাইন ভোটিং কার্যক্রমে কলেজটির শিক্ষার্থীরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশ নেন।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রকাশিত অফিশিয়াল সামারি রিপোর্ট অনুযায়ী, কবি নজরুল সরকারি কলেজের মোট ৫,৯৫৭ জন যোগ্য শিক্ষার্থীর মধ্যে ২,৩৯৭ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা শতকরা হিসেবে ৪০.২ শতাংশ উপস্থিতি নির্দেশ করে।

সংগৃহীত ভোটের মধ্যে ২,৩১৭ জন শিক্ষার্থী সরাসরি একাডেমিক মাইগ্রেশনের সপক্ষে ‘হ্যাঁ’ রায় দেন। অন্যদিকে মাত্র ৭০ জন শিক্ষার্থী (২.৯%) বিপক্ষে ‘না’ ভোট দিয়েছেন এবং ১০ জন শিক্ষার্থী (০.৪%) কোনো মন্তব্য প্রকাশ করেননি।

সাতটি কলেজের মধ্যে ইতিবাচক ভোটের শতকরা হারের দিক থেকে কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরাই শীর্ষে অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য, সাত কলেজের সমন্বয়ে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক মাইগ্রেশন ইস্যুতে সার্বিকভাবে ৮৬.৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করেছেন। মোট ৫৪,৩৯৬ জন যোগ্য ভোটারের মধ্যে ১৯,৬৮২ জন শিক্ষার্থী এই ভোটাভুটিতে অংশ নেন, যেখানে সর্বমোট ১৭,০১২ জন শিক্ষার্থী মাইগ্রেশনের পক্ষে রায় দেন।

সার্বিক ফলাফলে শতকরার দিক থেকে কবি নজরুল সরকারি কলেজের ৯৬.৭ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট সকল কলেজের মধ্যে সবচেয়ে বড় সমর্থনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন শেষে এই ফলাফল প্রকাশের পর পরবর্তী একাডেমিক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

জনপ্রিয়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক মাইগ্রেশনের পক্ষে ৮৬.৪% শিক্ষার্থী

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মাইগ্রেশনের পক্ষে কবি নজরুল কলেজের ৯৬.৭ শতাংশ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত ০৬:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনস্থ রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের একাডেমিক মাইগ্রেশন প্রক্রিয়ায় অভূতপূর্ব সমর্থন জানিয়েছেন কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া অনলাইন মতামত গ্রহণে কলেজটির অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেকর্ড ৯৬.৭ শতাংশই মাইগ্রেশনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ সূচক ভোট দিয়েছেন।

গত ১৭ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে ২০ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এই অনলাইন ভোটিং কার্যক্রমে কলেজটির শিক্ষার্থীরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশ নেন।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রকাশিত অফিশিয়াল সামারি রিপোর্ট অনুযায়ী, কবি নজরুল সরকারি কলেজের মোট ৫,৯৫৭ জন যোগ্য শিক্ষার্থীর মধ্যে ২,৩৯৭ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা শতকরা হিসেবে ৪০.২ শতাংশ উপস্থিতি নির্দেশ করে।

সংগৃহীত ভোটের মধ্যে ২,৩১৭ জন শিক্ষার্থী সরাসরি একাডেমিক মাইগ্রেশনের সপক্ষে ‘হ্যাঁ’ রায় দেন। অন্যদিকে মাত্র ৭০ জন শিক্ষার্থী (২.৯%) বিপক্ষে ‘না’ ভোট দিয়েছেন এবং ১০ জন শিক্ষার্থী (০.৪%) কোনো মন্তব্য প্রকাশ করেননি।

সাতটি কলেজের মধ্যে ইতিবাচক ভোটের শতকরা হারের দিক থেকে কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরাই শীর্ষে অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য, সাত কলেজের সমন্বয়ে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক মাইগ্রেশন ইস্যুতে সার্বিকভাবে ৮৬.৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করেছেন। মোট ৫৪,৩৯৬ জন যোগ্য ভোটারের মধ্যে ১৯,৬৮২ জন শিক্ষার্থী এই ভোটাভুটিতে অংশ নেন, যেখানে সর্বমোট ১৭,০১২ জন শিক্ষার্থী মাইগ্রেশনের পক্ষে রায় দেন।

সার্বিক ফলাফলে শতকরার দিক থেকে কবি নজরুল সরকারি কলেজের ৯৬.৭ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট সকল কলেজের মধ্যে সবচেয়ে বড় সমর্থনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন শেষে এই ফলাফল প্রকাশের পর পরবর্তী একাডেমিক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।