ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হাসপাতালে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ: আমু-দীপু মনিসহ ৮ নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এ সপ্তাহে Logo নাহিদের মতো গতিময় একজনকে ‘মিস করবেন’ সিমন্স Logo দলে ‘সতেজতার অভাব’ দেখছেন টানা দুই হারে হতাশ বার্সা কোচ Logo ফেইসবুকে ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ লিখে পোস্ট, বহিষ্কার যুবদল নেতা Logo উইকেট যেমনই হোক, ‘হার্ড ওয়ার্ক’ দেখতে চান সিমন্স Logo এআই থেকে অধিকাংশ কোম্পানির লাভ ‘ঘোড়ার ডিম’ Logo ‘সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ’ Logo তৌফিক ভাই: যে হাতটি মাথার ওপর ছিল Logo বিজয় ভাষণে লুলার ‘ধন্যবাদ’ পাওয়া আন্দ্রে জানোনিস কে? কী করেছেন তিনি?

২ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু, মধ্যরাত থেকেই বাড়তে যাচ্ছে গ্যাস সরবরাহ

প্রায় এক মাস পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এর ফলে সারা দেশে চলমান গ্যাস-সংকট ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরের দিকে এলএনজিবাহী একটি কার্গো মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়।

পেট্রোবাংলা জানায়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে; দুপুর ১২টার দিকে সরবরাহ ছিল ৫৮১ মিলিয়ন ঘনফুট। বিকেলে এলএনজিসহ গ্যাসের মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে। গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে সারা দেশে সর্বোচ্চ ৩৭৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখতে হয়েছিল।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, বেলা ২টার দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউর কাছে একটি এলএনজি কার্গো এসে পোঁছায়। ৭ ঘণ্টা পর আনলোড শুরু হবে।

এদিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে সারা দেশের শিল্প কারখানা। নতুন করে গ্যাস আসার খবরে ফের উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন শিল্প মালিকেরা। তবে যেসব এলাকায় গ্যাস নেই সেখানে গ্যাস পৌঁছাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিতরণ সংস্থা তিতাস।

তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহ নেওয়াজ পারভেজ বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চল ও কুমিল্লা অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ তিতাসের বিতরণ এলাকায় গ্যাস পৌঁছাবে। সে ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যাবে। আবার এদিকে দীর্ঘদিন গ্যাস না থাকার কারণে পাইপলাইনগুলোতে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। সে ক্ষেত্রে সময় লাগবে।

তিতাসের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গরমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য গ্যাসের বাড়তি বরাদ্দ দিয়েছিল তিতাস। সেই বরাদ্দ ঠিক রেখে লাইনে পাওয়া বাড়তি গ্যাস থেকে রপ্তানিমুখী কলকারখানায় বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

জনপ্রিয়

হাসপাতালে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা

২ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু, মধ্যরাত থেকেই বাড়তে যাচ্ছে গ্যাস সরবরাহ

প্রকাশিত ১১:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

প্রায় এক মাস পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এর ফলে সারা দেশে চলমান গ্যাস-সংকট ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরের দিকে এলএনজিবাহী একটি কার্গো মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়।

পেট্রোবাংলা জানায়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে; দুপুর ১২টার দিকে সরবরাহ ছিল ৫৮১ মিলিয়ন ঘনফুট। বিকেলে এলএনজিসহ গ্যাসের মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে। গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে সারা দেশে সর্বোচ্চ ৩৭৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখতে হয়েছিল।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, বেলা ২টার দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউর কাছে একটি এলএনজি কার্গো এসে পোঁছায়। ৭ ঘণ্টা পর আনলোড শুরু হবে।

এদিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে সারা দেশের শিল্প কারখানা। নতুন করে গ্যাস আসার খবরে ফের উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন শিল্প মালিকেরা। তবে যেসব এলাকায় গ্যাস নেই সেখানে গ্যাস পৌঁছাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিতরণ সংস্থা তিতাস।

তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহ নেওয়াজ পারভেজ বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চল ও কুমিল্লা অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ তিতাসের বিতরণ এলাকায় গ্যাস পৌঁছাবে। সে ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যাবে। আবার এদিকে দীর্ঘদিন গ্যাস না থাকার কারণে পাইপলাইনগুলোতে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। সে ক্ষেত্রে সময় লাগবে।

তিতাসের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গরমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য গ্যাসের বাড়তি বরাদ্দ দিয়েছিল তিতাস। সেই বরাদ্দ ঠিক রেখে লাইনে পাওয়া বাড়তি গ্যাস থেকে রপ্তানিমুখী কলকারখানায় বরাদ্দ বাড়ানো হবে।