পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (URP) বিভাগের উদ্যোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন হলে বিকেল ৫টা থেকে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান প্রামাণিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড.মো:আনোয়ার হোসাইন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের আসন গ্রহণ ও গাছের চারা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
এরপর মানপত্র পাঠ, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য, স্মৃতিচারণ ও অতিথিদের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয়।
বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান বলেন,“বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন শেষ করে তোমরা এখন কর্মজীবনে প্রবেশ করবে। তোমাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। জীবনে সফলতার পাশাপাশি একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। তোমাদের যে দেশপ্রেম আছে এটা বলে বোঝাতে হবে না কাজের মাধ্যমে প্রমান করো,দেশপ্রেম অন্তরে ধারন করো।
তোমাদের ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর ও সফল হোক এই কামনা করি।”
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আজ বক্তব্য দিতে নয়, কিছু কৈফিয়ত দিতে এসেছি। গত বছর বিভাগের উন্নয়নে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে গত এক বছরে বিভাগে দুজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিভাগের অন্যান্য সমস্যাগুলোও আগামী এক বছরের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, দেশে অনেক প্ল্যানার থাকলেও বাস্তবে পরিকল্পনার প্রতিফলন দেখা যায় না। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ভবনে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে, সেটি নির্মাণে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে; অথচ একই অর্থে একটি সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরি নির্মাণ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় আরও বেশি উপকৃত হতে পারত। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান তিনি।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। এতে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সংগীত, নৃত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন। বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।






























