ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহী থেকে সারাদেশে বাস চলাচল শুরু

রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন দূরপাল্লার রুটে বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। সাময়িকভাবে সব ধরনের পরিবহন সেবা বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পরিবহন মালিকদের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে এই জটিলতার অবসান ঘটে। এর ফলে যাত্রীরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অবশেষে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সুযোগ পান।

এর আগে, প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে রাজশাহী থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি এবং বাইরে থেকেও কোনো গাড়ি শহরে প্রবেশ করেনি। হঠাৎ করে এই পরিবহন ধর্মঘট বা বন্ধের কারণে সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে জরুরি কাজে বের হওয়া নারী, শিশু ও চাকুরিজীবীরা বাস টার্মিনালে আটকা পড়ে দারুণ বিপাকে পড়েন। দীর্ঘ সময় ধরে বাস কাউন্টারগুলো বন্ধ থাকায় টার্মিনাল চত্বরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিবহন শ্রমিক নেতা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা দ্রুত বৈঠকে বসেন। আলোচনার একপর্যায়ে সব পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে বাস চলাচল পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্ধারিত ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টার্মিনাল থেকে একে একে গাড়িগুলো ছেড়ে যেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বরেন্দ্র এই জনপদের পরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং যাত্রীদের স্বস্তি ফিরে আসে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই ধরনের হঠাৎ পরিবহন বন্ধের ঘটনা যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ commutersরা। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা যাতে আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান করেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন তারা।

জনপ্রিয়

বদলির তদবির করলে ব্যবস্থা, ভূমি কর্মকর্তাদের সতর্ক করলো মন্ত্রণালয়

রাজশাহী থেকে সারাদেশে বাস চলাচল শুরু

প্রকাশিত ০৩:০০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন দূরপাল্লার রুটে বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। সাময়িকভাবে সব ধরনের পরিবহন সেবা বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পরিবহন মালিকদের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে এই জটিলতার অবসান ঘটে। এর ফলে যাত্রীরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অবশেষে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সুযোগ পান।

এর আগে, প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে রাজশাহী থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি এবং বাইরে থেকেও কোনো গাড়ি শহরে প্রবেশ করেনি। হঠাৎ করে এই পরিবহন ধর্মঘট বা বন্ধের কারণে সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে জরুরি কাজে বের হওয়া নারী, শিশু ও চাকুরিজীবীরা বাস টার্মিনালে আটকা পড়ে দারুণ বিপাকে পড়েন। দীর্ঘ সময় ধরে বাস কাউন্টারগুলো বন্ধ থাকায় টার্মিনাল চত্বরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিবহন শ্রমিক নেতা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা দ্রুত বৈঠকে বসেন। আলোচনার একপর্যায়ে সব পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে বাস চলাচল পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্ধারিত ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টার্মিনাল থেকে একে একে গাড়িগুলো ছেড়ে যেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বরেন্দ্র এই জনপদের পরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং যাত্রীদের স্বস্তি ফিরে আসে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই ধরনের হঠাৎ পরিবহন বন্ধের ঘটনা যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ commutersরা। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা যাতে আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান করেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন তারা।