অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর সম্প্রতি নিজ বাসভবনে ফিরেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। জ্বর ও নিউমোনিয়াসহ নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাকে গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে কয়েক দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটে। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শ ও ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে আদাবরের নিজ বাসভবনে ফিরিয়ে আনা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বাসায় থেকে প্রয়োজনীয় পরবর্তী চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।
মন্ত্রীর এই অসুস্থতা ও হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার বিষয়টি জানাজানি হলে রাজনৈতিক অঙ্গনে সহানুভূতি ও উৎকণ্ঠা দেখা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অসুস্থ সহকর্মীকে দেখতে তার আদাবরের বাসভবনে যান। সেখানে তিনি বেশ কিছু সময় অবস্থান করেন এবং টুকুর চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি ও বর্তমান শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বিএনপি নেতার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
সাক্ষাৎকালে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বেশ কয়েজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম এবং সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল কায়েস অন্যতম। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও ব্যস্ততার ঊর্ধ্বে উঠে রাজনৈতিক সহকর্মীদের এমন পারস্পরিক খোঁজখবর নেওয়ার দৃশ্য দলের ভেতরে ও বাইরে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শুভানুধ্যায়ীরা তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এর আগে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ও তাকে দেখতে বিশিষ্টজনেরাসহ অনেকেই হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন। বর্তমানে নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ও দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত রোগমুক্তির জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।


































