ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo র‍্যাবের মতো সংগঠন প্রয়োজন, এসআরবি নিয়ে সংসদে লুৎফুজ্জামান বাবর Logo শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে জবিতে সাংবাদিকতা কর্মশালা Logo র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি ছিল, একই ধরনের বাহিনী কেন? প্রশ্ন শফিকুর রহমানের Logo ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব উন্নত, দামেও সাশ্রয়ী: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী Logo ২০১৬-১৭ মৌসুমের চেলসির শিরোপা টটেনহামকে দেওয়া উচিৎ Logo সংসদীয় কমিটি গঠনে ‘স্পিরিট অব পার্লামেন্ট’ বিবেচনার আহ্বান নাহিদের Logo হেবার সংশোধন আইন দ্রুত বাতিল কর‌তে হ‌বে: মুফতি ফয়জুল করিম Logo সংসদে বক্তব্যে বাধা, গালাগালি গণতান্ত্রিক রীতির বাইরে: রুমিন ফারহানা Logo বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ Logo পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার এক

নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ, উৎসবে মুখরিত পুরো এলাকা

মাগুরায় গ্রামীণ সংস্কৃতির এক সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ধারা টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহমান বাংলার এই ঐতিহ্যকে চাক্ষুষ করতে নদীর দুই তীরে এবং এর ওপর নির্মিত সেতুতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাটি ঘিরে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল।

উক্ত প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মোট ছয়টি সুসজ্জিত ও রঙিন নৌকা অংশ নেয়। সুশৃঙ্খলভাবে বৈঠা টানার চমৎকার ছন্দ এবং মাঝিদের সমবেত গানে পুরো নদীর অববাহিকা মুখরিত হয়ে ওঠে। এক নৌকা অন্য নৌকাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার রোমাঞ্চকর মুহূর্তে দুই পাড়ের হাজারো দর্শক করতালিতে ফেটে পড়েন এবং উল্লাসে মেতে ওঠেন। সকাল থেকেই নদীর তীরে নানা বয়সের মানুষের উপস্থিতি এক মিলনমেলায় রূপ নেয়।

এই মনোমুগ্ধকর আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মেহেরুনন্নাহার। প্রতিযোগিতা সমাপ্তির পর আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ী দলগুলোর হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক শওকত মিয়া জানান, মূলত নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং তাদের মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মেহেরুনন্নাহার বাঙালির প্রাচীন ঐতিহ্য রক্ষায় এমন সুস্থ বিনোদনমূলক আয়োজন নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। স্থানীয় দশটি গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় আগামীতেও এই ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আরও বড় পরিসরে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

র‍্যাবের মতো সংগঠন প্রয়োজন, এসআরবি নিয়ে সংসদে লুৎফুজ্জামান বাবর

নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ, উৎসবে মুখরিত পুরো এলাকা

প্রকাশিত ০৫:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাগুরায় গ্রামীণ সংস্কৃতির এক সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ধারা টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহমান বাংলার এই ঐতিহ্যকে চাক্ষুষ করতে নদীর দুই তীরে এবং এর ওপর নির্মিত সেতুতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাটি ঘিরে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল।

উক্ত প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মোট ছয়টি সুসজ্জিত ও রঙিন নৌকা অংশ নেয়। সুশৃঙ্খলভাবে বৈঠা টানার চমৎকার ছন্দ এবং মাঝিদের সমবেত গানে পুরো নদীর অববাহিকা মুখরিত হয়ে ওঠে। এক নৌকা অন্য নৌকাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার রোমাঞ্চকর মুহূর্তে দুই পাড়ের হাজারো দর্শক করতালিতে ফেটে পড়েন এবং উল্লাসে মেতে ওঠেন। সকাল থেকেই নদীর তীরে নানা বয়সের মানুষের উপস্থিতি এক মিলনমেলায় রূপ নেয়।

এই মনোমুগ্ধকর আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মেহেরুনন্নাহার। প্রতিযোগিতা সমাপ্তির পর আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ী দলগুলোর হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক শওকত মিয়া জানান, মূলত নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং তাদের মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মেহেরুনন্নাহার বাঙালির প্রাচীন ঐতিহ্য রক্ষায় এমন সুস্থ বিনোদনমূলক আয়োজন নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। স্থানীয় দশটি গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় আগামীতেও এই ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আরও বড় পরিসরে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।