ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: মাঝপথে বিশ্বভ্রমণ থামিয়ে প্রমোদতরীর নোঙর কম্বোডিয়ায় Logo আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর: ড্যাব থেকে জাহিদ হোসেন বহিষ্কার Logo তরুণীর সঙ্গে ভিডিও: ‘ষড়যন্ত্র’ বলছেন নাটোরের এমপি আজিজ Logo বিশ্ব ব্যাংকের শঙ্কা: সংঘাত ও এল নিনিওয় পণ্যমূল্য বাড়বে ২৩% Logo মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন এবারও হবে না? Logo লেকের দূষণ রোধ: ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ভবনে সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের নির্দেশ Logo খোলা বাজারে ডলার উঠেছে ১২৮ টাকায় Logo লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ বাংলাদেশি Logo ঠাকুরগাঁওয়ের ভোটে মাগুরাকে কেন টানছে জামায়াত? Logo শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং

সংসদে বক্তব্যে বাধা, গালাগালি গণতান্ত্রিক রীতির বাইরে: রুমিন ফারহানা

সংসদে কোনো জনপ্রতিনিধির বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত বা মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা শালীন ভাষায় পাল্টা যুক্তির মাধ্যমেই প্রকাশ করা উচিত। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে এই মতামত ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে গঠনমূলক আলোচনা ও বিতর্কের বিকল্প নেই, কিন্তু সেখানে আক্রমণাত্মক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

বক্তব্যের সময় অন্য কোনো সদস্যকে বাধা দেওয়া কিংবা তার বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করার তীব্র সমালোচনা করেন এই সংসদ সদস্য। তার মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনো সভ্য দেশের সংসদীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়। সংসদ হলো জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রকাশের সর্বোচ্চ ফোরাম, যেখানে সর্বোচ্চ মার্জিত আচরণ বজায় রাখা প্রতিটি সদস্যের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সংসদ সদস্যদের ভাষা ও আচরণ যদি শিষ্টাচারবহির্ভূত হয়, তবে তা সাধারণ মানুষের মাঝে ভুল বার্তা দেয়। দেশের সাধারণ জনগণ সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে সবসময় দায়িত্বশীল ও পরিশীলিত আচরণ প্রত্যাশা করে থাকে। তাই সংসদীয় কার্যক্রমের মান বজায় রাখতে এবং গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে এমন নেতিবাচক প্রবণতা থেকে সবার বিরত থাকা আবশ্যক।

পরিশেষে, সংসদীয় কার্যপ্রণালীতে সব সদস্যের সমান অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন রুমিন ফারহানা। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে সংসদের ভেতর এবং বাইরে সব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখবেন। এর মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও বেশি শক্তিশালী ও জনবান্ধব হয়ে উঠবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

জনপ্রিয়

ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: মাঝপথে বিশ্বভ্রমণ থামিয়ে প্রমোদতরীর নোঙর কম্বোডিয়ায়

সংসদে বক্তব্যে বাধা, গালাগালি গণতান্ত্রিক রীতির বাইরে: রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত ০৬:১৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংসদে কোনো জনপ্রতিনিধির বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত বা মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা শালীন ভাষায় পাল্টা যুক্তির মাধ্যমেই প্রকাশ করা উচিত। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে এই মতামত ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে গঠনমূলক আলোচনা ও বিতর্কের বিকল্প নেই, কিন্তু সেখানে আক্রমণাত্মক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

বক্তব্যের সময় অন্য কোনো সদস্যকে বাধা দেওয়া কিংবা তার বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করার তীব্র সমালোচনা করেন এই সংসদ সদস্য। তার মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনো সভ্য দেশের সংসদীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়। সংসদ হলো জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রকাশের সর্বোচ্চ ফোরাম, যেখানে সর্বোচ্চ মার্জিত আচরণ বজায় রাখা প্রতিটি সদস্যের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সংসদ সদস্যদের ভাষা ও আচরণ যদি শিষ্টাচারবহির্ভূত হয়, তবে তা সাধারণ মানুষের মাঝে ভুল বার্তা দেয়। দেশের সাধারণ জনগণ সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে সবসময় দায়িত্বশীল ও পরিশীলিত আচরণ প্রত্যাশা করে থাকে। তাই সংসদীয় কার্যক্রমের মান বজায় রাখতে এবং গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে এমন নেতিবাচক প্রবণতা থেকে সবার বিরত থাকা আবশ্যক।

পরিশেষে, সংসদীয় কার্যপ্রণালীতে সব সদস্যের সমান অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন রুমিন ফারহানা। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে সংসদের ভেতর এবং বাইরে সব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখবেন। এর মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও বেশি শক্তিশালী ও জনবান্ধব হয়ে উঠবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।