ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ বাংলাদেশি Logo ঠাকুরগাঁওয়ের ভোটে মাগুরাকে কেন টানছে জামায়াত? Logo শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং Logo প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে চাকরি মেলা Logo প্যান্ট ও অন্তর্বাসে করে সোনার পেস্ট, দুবাই থেকে আসা ২ নারী আটক Logo যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানিতে দরকষাকষির সিদ্ধান্ত সরকারের Logo জুলাইয়ের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা ব্যক্তিরাই জুলাইকে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করেছেন: জাবের Logo বিদায় হ্যালো, নিজেকে চেনানোর জন্য ধন্যবাদ Logo নোবিপ্রবির নীলদিঘীতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে লাইফ জ্যাকেট কর্নার স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ Logo বাকৃবি ডিবেটিং সংঘের আংশিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক মুবিন ‎

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানিতে দরকষাকষির সিদ্ধান্ত সরকারের

অর্থনীতি ডেস্ক: সরকারি পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সর্বনিম্ন দর প্রস্তাবকারী দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দরকষাকষি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে এই কার্যক্রম শুরু করার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে থাকায় অনলাইনে এই সভায় যুক্ত হন। মূলত সরকারি কেনাকাটার বিভিন্ন প্রস্তাব অনুমোদনের জন্যই অর্থনৈতিক বিষয় ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে গম আমদানির পাশাপাশি কাতার থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনার একটি সিদ্ধান্তও অনুমোদিত হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীনে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় অতিরিক্ত এই এলএনজি কেনা হবে। এছাড়া কানাডা ও রাশিয়া থেকে জিটুজি ভিত্তিতে সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন পায়।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, কানাডা ও রাশিয়া থেকে মোট এক লাখ ৫০ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। এর মধ্যে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের মাধ্যমে বিএডিসি ৮০ হাজার টন এবং রাশিয়ার প্রডিনটর্গ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির আওতায় আরও ৭০ হাজার টন সার আনবে। প্রতিটি চালানে সারের প্রতি টনের দর ধরা হয়েছে নির্ধারিত মূল্যে।

পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যবহারের জন্য ই-জিপি পদ্ধতিতে এক কোটি পাটের বস্তা ক্রয়ের প্রস্তাবও এই সভায় পাস হয়। ১৩টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫০টি প্যাকেজে এই পাটের বস্তাগুলো সংগ্রহ করা হবে। সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের এই কেনাকাটার সিদ্ধান্ত দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ বাংলাদেশি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানিতে দরকষাকষির সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রকাশিত ১১:৫২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: সরকারি পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সর্বনিম্ন দর প্রস্তাবকারী দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দরকষাকষি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে এই কার্যক্রম শুরু করার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে থাকায় অনলাইনে এই সভায় যুক্ত হন। মূলত সরকারি কেনাকাটার বিভিন্ন প্রস্তাব অনুমোদনের জন্যই অর্থনৈতিক বিষয় ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে গম আমদানির পাশাপাশি কাতার থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনার একটি সিদ্ধান্তও অনুমোদিত হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীনে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় অতিরিক্ত এই এলএনজি কেনা হবে। এছাড়া কানাডা ও রাশিয়া থেকে জিটুজি ভিত্তিতে সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন পায়।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, কানাডা ও রাশিয়া থেকে মোট এক লাখ ৫০ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। এর মধ্যে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের মাধ্যমে বিএডিসি ৮০ হাজার টন এবং রাশিয়ার প্রডিনটর্গ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির আওতায় আরও ৭০ হাজার টন সার আনবে। প্রতিটি চালানে সারের প্রতি টনের দর ধরা হয়েছে নির্ধারিত মূল্যে।

পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যবহারের জন্য ই-জিপি পদ্ধতিতে এক কোটি পাটের বস্তা ক্রয়ের প্রস্তাবও এই সভায় পাস হয়। ১৩টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫০টি প্যাকেজে এই পাটের বস্তাগুলো সংগ্রহ করা হবে। সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের এই কেনাকাটার সিদ্ধান্ত দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।