প্রবাস ডেস্ক: উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে আরও ১৭২ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে মিসরাতা শহর থেকে তাদের এই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়। বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে করে এই নাগরিকরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদসংকুল পরিস্থিতি এড়াতে তারা স্বেচ্ছায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করছেন।
প্রত্যাবাসিত এই দলের মধ্যে অন্তত ১৮ জন অসুস্থ ব্যক্তি রয়েছেন যাদের বিশেষ বিবেচনায় দেশে আনা হয়েছে। এর আগে লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিসরাতা শহরে বন্দিশালা থেকে মুক্তি পাওয়া এসব বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন। সে সময় তিনি তাদের নিরাপদ ভ্রমণ ও ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। রাষ্ট্রদূতের এই সাক্ষাতের পর তাদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের অনিয়মিত অভিবাসনের বিভিন্ন ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেন। তিনি অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার শারীরিক, মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন। এছাড়া মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের যেকোনো ধরনের প্রলোভন থেকে দূরে থাকার জন্য তিনি বিশেষ পরামর্শ দেন।
লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক এবং স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের পুনর্বাসনে দূতাবাস নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা বন্দিশালায় আটকে থাকা অন্য প্রবাসীদের দ্রুত দেশে ফেরাতেও আইওএমের সঙ্গে সমন্বয় চলছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিনগুলোতেও অনুরূপ উদ্যোগে বেশ কিছু বাংলাদেশি নাগরিক নিরাপদে দেশে ফিরেছেন।




































