ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ২০১৬-১৭ মৌসুমের শিরোপা জয় নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনা শুরু হয়েছে। ফুটবল আঙিনায় প্রশ্ন উঠেছে যে, চেলসি যদি কোনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ওই আসরের ট্রফি জিতে থাকে, তবে তা তাদের ক্লাবের শোকেসে থাকার নৈতিক বা আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। ফুটবল বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের মতে, এমন পরিস্থিতিতে নিয়ম অনুযায়ী রানার্সআপ দলের হাতেই ট্রফি তুলে দেওয়া উচিত ছিল।
সেবারের প্রিমিয়ার লিগ আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে শিরোপা ঘরে তুলেছিল ব্লুজরা। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু বিষয় ও আইনি পর্যালোচনার সূত্র ধরে অতীত পারফরম্যান্স এবং তার পেছনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি হয়েছে। কোনো টুর্নামেন্টে যদি চ্যাম্পিয়ন দল প্রতিযোগিতার নিয়ম ভঙ্গ করে থাকে, তবে প্রতিযোগিতার স্বাভাবিক ন্যায়বিচার রক্ষা করতে রানার্সআপ দলের স্বীকৃতি পাওয়ার জোরালো দাবি থাকে।
আলোচিত ওই মৌসুমে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থেকে রানার্সআপ হয়েছিল উত্তর লন্ডনের ক্লাব টটেনহাম হটস্পার। পুরো মৌসুমজুড়ে অসাধারণ ফুটবল উপহার দিয়ে তারা চেলসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেললেও শেষ পর্যন্ত রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। এখন যদি চ্যাম্পিয়ন দলের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে টটেনহামের সেই শিরোপা পাওয়ার দাবি নতুন মাত্রা লাভ করবে বলে মনে করছেন অনেকে।
অবশ্য এ ধরনের বিতর্কিত পরিস্থিতিতে সাধারণত কঠোর আইনি প্রক্রিয়া এবং ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুনের ওপর নির্ভর করতে হয়। অতীতে বড় কোনো প্রতিযোগিতায় এভাবে চ্যাম্পিয়ন দল বদলে যাওয়ার ঘটনা বিরল হলেও ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসে নিয়মের কঠোর প্রয়োগের নজির রয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই দাবির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না এবং প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কী অবস্থান নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।





































