ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাইকেলে কক্সবাজার থেকে এভারেস্টের বেজ ক্যাম্পে পৌঁছালেন বীর কুমার Logo রাশা ইউসিফের ১৯৫ দেশ ভ্রমণ Logo ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই যুবকের মৃত্যু Logo মেসির সবচেয়ে পছন্দের খাবার কী, কেমন তাঁর ডায়েট চার্ট Logo জি২০ সম্মেলনে পুতিনকে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ, ইউরোপের আপত্তি Logo এআই কীভাবে সত্যিই ‘সব মানুষকে মেরে ফেলতে’ পারে? সবচেয়ে সম্ভাব্য পাঁচটি পরিস্থিতি Logo মরিনিওর নতুন রিয়াল মাদ্রিদ : যা কিছু ভালো, যা কিছু মন্দ Logo আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) Logo সুবিধা নেওয়া নিয়ে সমালোচনার মুখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস Logo ককটেল-বাসে আগুনে জড়িত আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: পুলিশের দাবি

পুরোপুরি চালু হয়নি পিরোজপুর ডাম্পিং স্টেশন, রাজস্ব হারাচ্ছে পৌরসভা

শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং পরিবেশ দূষণ রোধের লক্ষ্যে পিরোজপুরে একটি ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট স্থানে শহরের সমস্ত বর্জ্য সংগ্রহ করে তা বৈজ্ঞানিক উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করাই ছিল এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই ডাম্পিং স্টেশনটি এখনও পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে যে উদ্দেশ্যে কোটি কোটি টাকা খরচ করে এই অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছিল, তার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শহরবাসী।

প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংগৃহীত বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে পরিবেশবান্ধব জৈব সার উৎপাদন করার কথা ছিল। এই জৈব সার স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে পৌরসভার নিজস্ব রাজস্ব আয় বাড়ানোর একটি বড় সুযোগ তৈরি হওয়ার কথা ছিল। তবে প্ল্যান্টটি সচল না থাকায় একদিকে যেমন একদিকে পরিবেশ দূষণ কমানোর লক্ষ্য ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রতি মাসেই পৌরসভাকে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব এবং কিছু কারিগরি ত্রুটির কারণে মূলত ডাম্পিং স্টেশনটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না। স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষ এটি চালুর বিষয়ে মাঝেমধ্যে উদ্যোগের কথা বললেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে শহরের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে থাকছে, যা জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত ডাম্পিং স্টেশনটির জটিলতাগুলো দূর করে এটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা অত্যন্ত জরুরি। এটি পুরোপুরি চালু হলে একদিকে যেমন বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদন করে কৃষি খাতে অবদান রাখা সম্ভব হবে, অন্যদিকে পৌরসভার স্থায়ী আয়ের পথও উন্মুক্ত হবে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এই অব্যবস্থাপনার অবসান ঘটিয়ে প্রকল্পটি কার্যকর করা হোক।

জনপ্রিয়

সাইকেলে কক্সবাজার থেকে এভারেস্টের বেজ ক্যাম্পে পৌঁছালেন বীর কুমার

পুরোপুরি চালু হয়নি পিরোজপুর ডাম্পিং স্টেশন, রাজস্ব হারাচ্ছে পৌরসভা

প্রকাশিত ০৭:৩১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং পরিবেশ দূষণ রোধের লক্ষ্যে পিরোজপুরে একটি ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট স্থানে শহরের সমস্ত বর্জ্য সংগ্রহ করে তা বৈজ্ঞানিক উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করাই ছিল এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই ডাম্পিং স্টেশনটি এখনও পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে যে উদ্দেশ্যে কোটি কোটি টাকা খরচ করে এই অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছিল, তার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শহরবাসী।

প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংগৃহীত বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে পরিবেশবান্ধব জৈব সার উৎপাদন করার কথা ছিল। এই জৈব সার স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে পৌরসভার নিজস্ব রাজস্ব আয় বাড়ানোর একটি বড় সুযোগ তৈরি হওয়ার কথা ছিল। তবে প্ল্যান্টটি সচল না থাকায় একদিকে যেমন একদিকে পরিবেশ দূষণ কমানোর লক্ষ্য ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রতি মাসেই পৌরসভাকে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব এবং কিছু কারিগরি ত্রুটির কারণে মূলত ডাম্পিং স্টেশনটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না। স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষ এটি চালুর বিষয়ে মাঝেমধ্যে উদ্যোগের কথা বললেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে শহরের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে থাকছে, যা জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত ডাম্পিং স্টেশনটির জটিলতাগুলো দূর করে এটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা অত্যন্ত জরুরি। এটি পুরোপুরি চালু হলে একদিকে যেমন বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদন করে কৃষি খাতে অবদান রাখা সম্ভব হবে, অন্যদিকে পৌরসভার স্থায়ী আয়ের পথও উন্মুক্ত হবে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এই অব্যবস্থাপনার অবসান ঘটিয়ে প্রকল্পটি কার্যকর করা হোক।