দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলে রাজত্ব করে চলেছেন লিওনেল মেসি। শৈল্পিক প্রতিভা ও জাদুকরি পায়ের জাদুতে তিনি জয় করেছেন একের পর এক ট্রফি ও রেকর্ড। তবে এই দীর্ঘ সময় ধরে মাঠের সর্বোচ্চ তীব্রতা বজায় রাখার নেপথ্যে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম ও সুনির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস। কেবল জন্মসূত্রে পাওয়া প্রতিভার ওপর ভর করে এত দীর্ঘ সময় শীর্ষস্থানে টিকে থাকা সম্ভব হতো না।
কেরিয়ারের শুরুর দিকে মেসির খাদ্যাভ্যাস পেশাদার ক্রীড়াবিদসুলভ ছিল না এবং পিৎজা ও ফাস্ট ফুডের প্রতি তাঁর প্রবল ঝোঁক ছিল। কিন্তু ২০১০ সালের পর থেকে অনিয়মিত ডায়েটের নেতিবাচক প্রভাব তাঁর শরীরে পড়তে শুরু করে, যার ফলে তিনি প্রায়ই চোটে পড়তেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি ইতালীয় পুষ্টিবিদ জিউলিয়ানো পোসেরের শরণাপন্ন হন এবং নিজের খাদ্যতালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনেন।
পুষ্টিবিদের পরামর্শে মেসি প্রক্রিজাত খাবার ও কোমল পানীয় পুরোপুরি বাদ দিয়ে নতুন ডায়েট চার্ট অনুসরণ শুরু করেন। তাঁর খাবারে যুক্ত হয় তাজা শাকসবজি, ফলমূল, জলপাইয়ের তেল এবং অখণ্ড শস্য বা হোল গ্রেইন। এর পাশাপাশি সোডার পরিবর্তে দক্ষিণ আমেরিকার ভেষজ পানীয় ইয়েরবা মাতে তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।
কঠোর নিয়মের মধ্য দিয়ে চললেও নিজের পছন্দের খাবার ও মিষ্টির প্রতি দুর্বলতা পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠেননি তিনি। সবজি ও ভেষজ দিয়ে রোস্ট করা মুরগির মাংস তাঁর অত্যন্ত পছন্দের একটি খাবার। এছাড়া চকলেট বা আইসক্রিমের মতো মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি তাঁর আলাদা দুর্বলতা রয়েছে, যা তিনি মাঝেমধ্যে উপভোগ করেন।



































