ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হরমুজ খুলতে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের Logo যৌন নিপীড়ন ও প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে শাস্তিপ্রাপ্ত কুবির তিন শিক্ষকের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত Logo জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সন্দেহে আটক ২৬০ Logo ‘লিডারশিপ অ্যান্ড একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য Logo ‘কিউআর কোডে বাড়বে ২ লাখ কোটি টাকার কর আদায়’- বাকৃবিতে গভর্নর Logo সুপার এল নিনোর প্রভাবে সবচেয়ে শুষ্ক মরুভূমিও এখন রঙিন ফুলের বাগান Logo রুটি দিয়ে ত্বকের যত্ন! জেনে নিন ত্বকযত্নে বাসি রুটির জাদুকরি ভূমিকার কথা Logo দিনদুপুরে অস্ত্র হাতে সোনার দোকানে ডাকাতি, রক্ষা পাননি ক্রেতাও Logo মাদ্রাসার ছাদে ‘বিদ্যুতায়িত হয়ে’ দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী হাসপাতালে, সবার অবস্থা গুরুতর Logo অসুস্থতার কথা বলে কক্ষে যাওয়ার পর মাদ্রাসাছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাদ্রাসার ছাদে ‘বিদ্যুতায়িত হয়ে’ দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী হাসপাতালে, সবার অবস্থা গুরুতর

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ শিশু শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে। সম্প্রতি বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। আহত শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তাঁরা সবাই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দগ্ধ হওয়া শিক্ষার্থীরা সবাই ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। আহতরা হলো ষষ্ঠ শ্রেণির জিদনী, চতুর্থ শ্রেণির লামিয়া আক্তার শাপলা, সপ্তম শ্রেণির সুমাইয়া আক্তার, তৃতীয় শ্রেণির আসিয়া আক্তার আফরোজা এবং চতুর্থ শ্রেণির আতিয়া। ঘটনার দিন বিকেলে পড়াশোনার ফাঁকে তারা সবাই মিলে তিনতলা মাদ্রাসা ভবনের ছাদে খেলাধুলা করতে গিয়েছিল। হঠাৎ ছাদ থেকে কোনো একটা বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে মাদ্রাসার লোকজন দ্রুত উপরে ছুটে যান।

মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, ছাদে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান শিশুরা আগুনে ঝলসে যাওয়ার পর যন্ত্রণায় ছটফট করছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার তীব্রতা বিবেচনা করে তাদের দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। দগ্ধ শিশুদের ভাষ্যমতে, ছাদে খেলার সময় হঠাৎ করেই তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়, তবে ঠিক কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা তারা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই মাদ্রাসা ভবনের ছাদের ঠিক ওপর দিয়েই উচ্চক্ষমতার বৈদ্যুতিক তার চলে গেছে। মাদ্রাসার কর্তাব্যক্তিদের ধারণা, ছাদের ওপর থাকা ওই বিপজ্জনক বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসায় শিশুগুলো বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়েছে। এদিকে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে দগ্ধ হওয়া পাঁচ শিশুর অবস্থাই অত্যন্ত গুরুতর। চিকিৎসকরা তাঁদের জীবন বাঁচাতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং জরুরি বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণ রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয়

হরমুজ খুলতে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের

মাদ্রাসার ছাদে ‘বিদ্যুতায়িত হয়ে’ দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী হাসপাতালে, সবার অবস্থা গুরুতর

প্রকাশিত ০৯:৪৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ শিশু শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে। সম্প্রতি বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। আহত শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তাঁরা সবাই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দগ্ধ হওয়া শিক্ষার্থীরা সবাই ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। আহতরা হলো ষষ্ঠ শ্রেণির জিদনী, চতুর্থ শ্রেণির লামিয়া আক্তার শাপলা, সপ্তম শ্রেণির সুমাইয়া আক্তার, তৃতীয় শ্রেণির আসিয়া আক্তার আফরোজা এবং চতুর্থ শ্রেণির আতিয়া। ঘটনার দিন বিকেলে পড়াশোনার ফাঁকে তারা সবাই মিলে তিনতলা মাদ্রাসা ভবনের ছাদে খেলাধুলা করতে গিয়েছিল। হঠাৎ ছাদ থেকে কোনো একটা বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে মাদ্রাসার লোকজন দ্রুত উপরে ছুটে যান।

মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, ছাদে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান শিশুরা আগুনে ঝলসে যাওয়ার পর যন্ত্রণায় ছটফট করছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার তীব্রতা বিবেচনা করে তাদের দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। দগ্ধ শিশুদের ভাষ্যমতে, ছাদে খেলার সময় হঠাৎ করেই তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়, তবে ঠিক কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা তারা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই মাদ্রাসা ভবনের ছাদের ঠিক ওপর দিয়েই উচ্চক্ষমতার বৈদ্যুতিক তার চলে গেছে। মাদ্রাসার কর্তাব্যক্তিদের ধারণা, ছাদের ওপর থাকা ওই বিপজ্জনক বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসায় শিশুগুলো বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়েছে। এদিকে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে দগ্ধ হওয়া পাঁচ শিশুর অবস্থাই অত্যন্ত গুরুতর। চিকিৎসকরা তাঁদের জীবন বাঁচাতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং জরুরি বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণ রাখা হয়েছে।